জাতীয়
সীমান্তসংলগ্ন পদ্মায় মাছ ধরতে ভয় পাচ্ছেন জেলেরা
NewsView6

আতঙ্ক নিয়েই মাছ ধরতে নামছেন জেলেরা
নিউজভিউ ডেস্ক
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পাশ বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। ভারতীয় জল সীমানায় বাংলাদেশি জেলেদের দেখা গেলে গুলি করা হতে পারে এমন সতর্ককতা ও ধাওয়া দেওয়ার ঘটনার পর থেকে সীমান্তে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে মাছ ধরা নিয়ে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে জেলেদের মধ্যে।
সরেজমিন ইউসুফপুর, মোক্তারপুর, গৌরশহরপুর, পিরোজপুর ও রাওথা এলাকায় কয়েক জন জেলেদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
ইউসুফপুর বাজারসংলগ্ন এলাকার জেলে টোকন ও বিপ্লব জানান, সম্প্রতি পদ্মা নদীর সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের পক্ষ থেকে কয়েকটি ধাওয়া দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই অনেক জেলে গভীর নদীতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে রাত ও ভোরবেলায় মাছ ধরতে গিয়ে চরম আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
জেলেরা জানান, পদ্মা নদীতে মাছ ধরাই তাদের প্রধান জীবিকা। কিন্তু সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে এখন স্বাভাবিকভাবে মাছ ধরতে পারছেন না। বাধ্য হয়েই আমরা এখন সীমানার মধ্যে নদীতীরবর্তী এলাকায় মাছ ধরছি। এতে আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
এদিকে পরিস্তিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)-এর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবির জানায়, সীমান্তবর্তী পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশি জেলেদের নিজ নিজ জলসীমার মধ্যে অবস্থান করে মাছ ধরার জন্য সচেতনতামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা বজায় রাখার জন্য পরামর্শ ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ইউসুফপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার ইসমাইল হোসেন।
গত ২১ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সভায় জেলেদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিজিবি’র সিও লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, সীমান্ত এলাকায় বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলেদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএসএফের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে উভয় বাহিনীর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশি জেলেদের জিরো লাইন ক্রস না করে নিজ জলসীমানার মধ্যে থেকে নিরাপদে মাছ ধরার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পাশ বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। ভারতীয় জল সীমানায় বাংলাদেশি জেলেদের দেখা গেলে গুলি করা হতে পারে এমন সতর্ককতা ও ধাওয়া দেওয়ার ঘটনার পর থেকে সীমান্তে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদীতে মাছ ধরা নিয়ে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে জেলেদের মধ্যে।
সরেজমিন ইউসুফপুর, মোক্তারপুর, গৌরশহরপুর, পিরোজপুর ও রাওথা এলাকায় কয়েক জন জেলেদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
ইউসুফপুর বাজারসংলগ্ন এলাকার জেলে টোকন ও বিপ্লব জানান, সম্প্রতি পদ্মা নদীর সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফের পক্ষ থেকে কয়েকটি ধাওয়া দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর পর থেকেই অনেক জেলে গভীর নদীতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না। বিশেষ করে রাত ও ভোরবেলায় মাছ ধরতে গিয়ে চরম আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।
জেলেরা জানান, পদ্মা নদীতে মাছ ধরাই তাদের প্রধান জীবিকা। কিন্তু সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে এখন স্বাভাবিকভাবে মাছ ধরতে পারছেন না। বাধ্য হয়েই আমরা এখন সীমানার মধ্যে নদীতীরবর্তী এলাকায় মাছ ধরছি। এতে আয় কমে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
এদিকে পরিস্তিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতিমধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)-এর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবির জানায়, সীমান্তবর্তী পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় বাংলাদেশি জেলেদের নিজ নিজ জলসীমার মধ্যে অবস্থান করে মাছ ধরার জন্য সচেতনতামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা বজায় রাখার জন্য পরামর্শ ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানান ইউসুফপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার ইসমাইল হোসেন।
গত ২১ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সভায় জেলেদের নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিজিবি’র সিও লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, সীমান্ত এলাকায় বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলেদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএসএফের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে উভয় বাহিনীর মধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশি জেলেদের জিরো লাইন ক্রস না করে নিজ জলসীমানার মধ্যে থেকে নিরাপদে মাছ ধরার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...