নারায়ণগঞ্জসদর
খানপুরে নিরাপত্তা প্রহরী হত্যা: উত্তরা থেকে আসামি রাহাত গ্রেপ্তার
NewsView

নারায়ণগঞ্জের খানপুরে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরী আবু হানিফকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি রাহাতকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। র্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ) এবং র্যাব-১ (উত্তরা)-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল বুধবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর দুপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এজাহারনামীয় ৮ নং আসামি রাহাতসহ আরও ১০-১২ জন মিলে নিরাপত্তা প্রহরী আবু হানিফকে (৩০) তাঁর বাসা 'জিতু ভিলা' থেকে ডেকে বের করে আনে।
এরপর হানিফকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল হাসপাতালের বিপরীত পাশে সুন্দরবন মাঠে মারধর করা হয়। সেখান থেকে আনুমানিক সাড়ে ১২টায় তাঁকে জোড়া ট্যাংকির মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে পুনরায় মারধর করা হয়, যেখানে অজ্ঞাতনামা উচ্ছৃঙ্খল জনতা জড়ো হয়েছিল।
সর্বশেষ দুপুর দেড় টায় থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাঁকে খানপুর মেট্রো হলের পশ্চিম পাশে বাউন্ডারি করা খালি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আসামি রাহাতসহ আরও ৫-৬ জন মিলে আবু হানিফকে ইট দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। গুরুতর অবস্থায় হানিফকে খানপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, সেদিন রাত ১০টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের ভাই মো: হযরত আলী বাদী হয়ে এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাহাতকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ অক্টোবর দুপুরে এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এজাহারনামীয় ৮ নং আসামি রাহাতসহ আরও ১০-১২ জন মিলে নিরাপত্তা প্রহরী আবু হানিফকে (৩০) তাঁর বাসা 'জিতু ভিলা' থেকে ডেকে বের করে আনে।
এরপর হানিফকে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল হাসপাতালের বিপরীত পাশে সুন্দরবন মাঠে মারধর করা হয়। সেখান থেকে আনুমানিক সাড়ে ১২টায় তাঁকে জোড়া ট্যাংকির মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে পুনরায় মারধর করা হয়, যেখানে অজ্ঞাতনামা উচ্ছৃঙ্খল জনতা জড়ো হয়েছিল।
সর্বশেষ দুপুর দেড় টায় থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাঁকে খানপুর মেট্রো হলের পশ্চিম পাশে বাউন্ডারি করা খালি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আসামি রাহাতসহ আরও ৫-৬ জন মিলে আবু হানিফকে ইট দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর, কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। গুরুতর অবস্থায় হানিফকে খানপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, সেদিন রাত ১০টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
নিহতের ভাই মো: হযরত আলী বাদী হয়ে এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাহাতকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...