নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দর গণহত্যা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
গণহত্যার প্রকৃত তথ্য মূল ইতিহাসের সাথে যুক্ত না হওয়া বড় ব্যর্থতা: রফিউর রাব্বি
NHP NewsView

নিউজভিউ
একাত্তরের ভয়াল ৪ এপ্রিল বন্দর সিরাজদ্দৌলা ক্লাব মাঠে পাকিস্তানি হানাদারদের গুলিতে শহীদ ৫৮ জন মুক্তিকামী মানুষের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা একাত্তরের সেই বিভীষিকাময় দিনটিকে স্মরণ করে শহীদদের রক্তঋণ শোধের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন রফিউর রাব্বি। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা গণহত্যার প্রকৃত তথ্য এখনো মূল ইতিহাসের সাথে যুক্ত না হওয়া বড় ব্যর্থতা। ১৯ মার্চ প্রথমবারের মতো স্টিলথ যুদ্ধবিমানে আঘাত হানার পর যেমন প্রতিরোধ গড়েছিল ইরান, তেমনি একাত্তরেও আমাদের বীরেরা লড়েছিলেন। তবে বন্দরে পৈশাচিক কায়দায় গানপাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুরতম অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নাসির, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ খান, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ভবানী শংকর রায়, জিয়াউর ইসলাম কাজল, প্রদীপ ঘোষ বাবু এবং নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু বক্তব্য রাখেন। বক্তারা অভিযোগ করেন যে প্রশাসনের কোনো দায়বদ্ধতা না থাকায় দিবসটি অনেক ক্ষেত্রে অবহেলায় পালিত হয়। তারা এই ইতিহাসকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান।
সভায় আরও উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আব্দুল হাই শরীফ, ফাহমিদা আজাদ, প্রদীপ সরকার এবং দুলাল সাহা সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে অংশ নেয় নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট, শহীদ পরিবার, সিপিবি, বাসদ, সমমনা, উন্মেষ সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশন। সবশেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ৫৪ জন শহীদের সেই স্মৃতিবিজড়িত গণকবর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
একাত্তরের ভয়াল ৪ এপ্রিল বন্দর সিরাজদ্দৌলা ক্লাব মাঠে পাকিস্তানি হানাদারদের গুলিতে শহীদ ৫৮ জন মুক্তিকামী মানুষের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা একাত্তরের সেই বিভীষিকাময় দিনটিকে স্মরণ করে শহীদদের রক্তঋণ শোধের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন রফিউর রাব্বি। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা গণহত্যার প্রকৃত তথ্য এখনো মূল ইতিহাসের সাথে যুক্ত না হওয়া বড় ব্যর্থতা। ১৯ মার্চ প্রথমবারের মতো স্টিলথ যুদ্ধবিমানে আঘাত হানার পর যেমন প্রতিরোধ গড়েছিল ইরান, তেমনি একাত্তরেও আমাদের বীরেরা লড়েছিলেন। তবে বন্দরে পৈশাচিক কায়দায় গানপাউডার দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুরতম অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নাসির, মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ খান, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ভবানী শংকর রায়, জিয়াউর ইসলাম কাজল, প্রদীপ ঘোষ বাবু এবং নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু বক্তব্য রাখেন। বক্তারা অভিযোগ করেন যে প্রশাসনের কোনো দায়বদ্ধতা না থাকায় দিবসটি অনেক ক্ষেত্রে অবহেলায় পালিত হয়। তারা এই ইতিহাসকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান।
সভায় আরও উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আব্দুল হাই শরীফ, ফাহমিদা আজাদ, প্রদীপ সরকার এবং দুলাল সাহা সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে অংশ নেয় নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট, শহীদ পরিবার, সিপিবি, বাসদ, সমমনা, উন্মেষ সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ভলান্টিয়ার অ্যাসোসিয়েশন। সবশেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে ৫৪ জন শহীদের সেই স্মৃতিবিজড়িত গণকবর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
লোড হচ্ছে...