বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিরল মহাজাগতিক ঘটনা: অ্যান্টার্কটিকায় ‘রিং অব ফায়ার’ সূর্যগ্রহণ শুরু
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে অবস্থিত অঞ্চলে আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি বিরল বলয়গ্রাস বা অ্যানুলার সূর্যগ্রহণ ঘটেছে, যাকে বলা হয় “রিং অব ফায়ার”।
কীভাবে সৃষ্টি হয় ‘রিং অব ফায়ার’
এই ধরণের সূর্যগ্রহণ তখন ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবীর তুলনায় তার কক্ষপথে একটু অধিক দূরত্বে থাকে — ফলে সে সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না। এর কারণে চাঁদের চারপাশে একটি উজ্জ্বল সূর্যের “বলয়” দেখা যায়, যা “রিং অব ফায়ার” নামে পরিচিত।
এখন পর্যন্ত ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• পূর্ণ বলয়গ্রাসের সময়কাল প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হবে।
• চাঁদ সূর্যের প্রায় ৯৬% অংশ ঢেকে ফেলবে, ফলে সূর্যের কেন্দ্রীয় আলো বন্ধ হবে না, কিন্তু আকাশ কিছুটা আলোকহীন মনে হবে।
• এই অ্যানুলারিটি মূলত একটি দৈর্ঘ্য ~৪২৮২ কিমি এবং প্রস্থ ~৬১৬ কিমি-এর সরু পথ বরাবর ঘটছে, যা শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকার নির্দিষ্ট অঞ্চলে স্পষ্ট দেখা যায়।
গবেষণা কেন্দ্র ও পর্যবেক্ষণ
এই অদ্ভুত দৃশ্যটি উপলক্ষ্য করে অ্যান্টার্কটিকায় কিছু গবেষণা স্টেশন রয়েছে। বিশেষত Concordia Station থেকে ও Mirny Station থেকেও পর্যবেক্ষণ সম্ভব। তবে এই অঞ্চলে খুব কম লোকই অবস্থান করছে, তাই সবার জন্য এটি প্রত্যক্ষভাবে দেখার সুযোগ নয়।
অন্যান্য অঞ্চলে কী দেখা যাবে?
যদিও পুরো বলয়গ্রাস অ্যান্টার্কটিকায় সীমাবদ্ধ, পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে — যেমন:
• দক্ষিণ আফ্রিকা
• মাদাগাস্কার
• মোজাম্বিক
• আর্জেন্টিনা ও চিলির দক্ষিণ অংশ
এখানে সূর্য একাধিক অংশে চাঁদের দ্বারা আংশিকভাবে ঢাকবে, ফলে সূর্য যেন “কমানো” মনে হবে।
নিরাপদভাবে দেখার সতর্কতা
সূর্যগ্রহণের সময় সরাসরি সূর্যের দিকে চোখ না দেখাই সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণ সানগ্লাস যথেষ্ট নয়; বিশেষ সূর্যগ্রহণ গ্লাস বা ISO-মানের সুরক্ষা ব্যবহার করা আবশ্যক।
পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে অবস্থিত অঞ্চলে আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি বিরল বলয়গ্রাস বা অ্যানুলার সূর্যগ্রহণ ঘটেছে, যাকে বলা হয় “রিং অব ফায়ার”।
কীভাবে সৃষ্টি হয় ‘রিং অব ফায়ার’
এই ধরণের সূর্যগ্রহণ তখন ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবীর তুলনায় তার কক্ষপথে একটু অধিক দূরত্বে থাকে — ফলে সে সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না। এর কারণে চাঁদের চারপাশে একটি উজ্জ্বল সূর্যের “বলয়” দেখা যায়, যা “রিং অব ফায়ার” নামে পরিচিত।
এখন পর্যন্ত ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• পূর্ণ বলয়গ্রাসের সময়কাল প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হবে।
• চাঁদ সূর্যের প্রায় ৯৬% অংশ ঢেকে ফেলবে, ফলে সূর্যের কেন্দ্রীয় আলো বন্ধ হবে না, কিন্তু আকাশ কিছুটা আলোকহীন মনে হবে।
• এই অ্যানুলারিটি মূলত একটি দৈর্ঘ্য ~৪২৮২ কিমি এবং প্রস্থ ~৬১৬ কিমি-এর সরু পথ বরাবর ঘটছে, যা শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকার নির্দিষ্ট অঞ্চলে স্পষ্ট দেখা যায়।
গবেষণা কেন্দ্র ও পর্যবেক্ষণ
এই অদ্ভুত দৃশ্যটি উপলক্ষ্য করে অ্যান্টার্কটিকায় কিছু গবেষণা স্টেশন রয়েছে। বিশেষত Concordia Station থেকে ও Mirny Station থেকেও পর্যবেক্ষণ সম্ভব। তবে এই অঞ্চলে খুব কম লোকই অবস্থান করছে, তাই সবার জন্য এটি প্রত্যক্ষভাবে দেখার সুযোগ নয়।
অন্যান্য অঞ্চলে কী দেখা যাবে?
যদিও পুরো বলয়গ্রাস অ্যান্টার্কটিকায় সীমাবদ্ধ, পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধের কিছু অংশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে — যেমন:
• দক্ষিণ আফ্রিকা
• মাদাগাস্কার
• মোজাম্বিক
• আর্জেন্টিনা ও চিলির দক্ষিণ অংশ
এখানে সূর্য একাধিক অংশে চাঁদের দ্বারা আংশিকভাবে ঢাকবে, ফলে সূর্য যেন “কমানো” মনে হবে।
নিরাপদভাবে দেখার সতর্কতা
সূর্যগ্রহণের সময় সরাসরি সূর্যের দিকে চোখ না দেখাই সবচেয়ে নিরাপদ। সাধারণ সানগ্লাস যথেষ্ট নয়; বিশেষ সূর্যগ্রহণ গ্লাস বা ISO-মানের সুরক্ষা ব্যবহার করা আবশ্যক।
লোড হচ্ছে...