রাজনীতিসদর
ইসলামী হুকুমত কায়েম হলে খাবার মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যেতো: মইনুদ্দিন
NewsView

নিউজভিউ
সমাজ থেকে দারিদ্র্য বিমোচন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ। তিনি বলেন, “ইসলামী হুকুমতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে অভাবী মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিতে হতো না, বরং খাবার তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যেতো।”
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ এলাকায় নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, “আজকের এই খাদ্য বিতরণের দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্রের। আমরা বিশ্বাস করি, দেশে কুরআন-সুন্নাহর শাসন কায়েম হলে তা বাস্তবায়িত হবে। সামনে সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসছে। আপনারা যদি সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করেন, তবে দেশে আর কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও লুণ্ঠন থাকবে না।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, “ইসলামী খেলাফত থাকলে জনপ্রতিনিধিরা হযরত ওমরের (রা.) মতো রাতের আঁধারে খাবার নিয়ে মানুষের দুয়ারে হাজির হতেন। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে ইনশাআল্লাহ দেশে সেই ন্যায়-ইনসাফ কায়েম হবে এবং মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে ফতুল্লা এলাকার পাঁচ শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন নেতারা। অনুষ্ঠানে মহানগরী ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজ থেকে দারিদ্র্য বিমোচন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ। তিনি বলেন, “ইসলামী হুকুমতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে অভাবী মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিতে হতো না, বরং খাবার তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যেতো।”
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ এলাকায় নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, “আজকের এই খাদ্য বিতরণের দায়িত্ব ছিল রাষ্ট্রের। আমরা বিশ্বাস করি, দেশে কুরআন-সুন্নাহর শাসন কায়েম হলে তা বাস্তবায়িত হবে। সামনে সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসছে। আপনারা যদি সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নির্বাচিত করেন, তবে দেশে আর কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও লুণ্ঠন থাকবে না।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন বলেন, “ইসলামী খেলাফত থাকলে জনপ্রতিনিধিরা হযরত ওমরের (রা.) মতো রাতের আঁধারে খাবার নিয়ে মানুষের দুয়ারে হাজির হতেন। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে ইনশাআল্লাহ দেশে সেই ন্যায়-ইনসাফ কায়েম হবে এবং মানুষের দুঃখ-কষ্ট দূর হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে ফতুল্লা এলাকার পাঁচ শতাধিক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন নেতারা। অনুষ্ঠানে মহানগরী ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...