নারায়ণগঞ্জ
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে নারায়ণগঞ্জ, অনুভূত তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জে জেঁকে বসেছে মৌসুমের প্রথম তীব্র তাপপ্রবাহ। আকাশ থেকে ঝরা আগুনের হলকায় শিল্পনগরীর জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিভিন্ন আবহাওয়া অ্যাপের তথ্যানুযায়ী, জেলায় অনুভবযোগ্য তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র গরমে ঘাম আর ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস উঠছে কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষের।
সকাল থেকেই সূর্যের প্রখর উত্তাপ নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলছে। দুপুরের দিকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে আসলেও জরুরি প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন, তারা পড়েছেন চরম বিপাকে। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও হকারদের কষ্ট সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। অনেকেই তৃষ্ণা মেটাতে রাস্তার ধারের শরবত বা পানীয়র দিকে ঝুঁকছেন, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলমান এই তাপপ্রবাহ এখনই থামছে না। আগামী আরও দুই থেকে তিন দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও কয়েক ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি শুরু হলে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নামতে পারে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরতে পারে।
চিকিৎসকরা এই তীব্র গরমে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি, ওরস্যালাইন ও রসালো ফল খাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জে জেঁকে বসেছে মৌসুমের প্রথম তীব্র তাপপ্রবাহ। আকাশ থেকে ঝরা আগুনের হলকায় শিল্পনগরীর জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিভিন্ন আবহাওয়া অ্যাপের তথ্যানুযায়ী, জেলায় অনুভবযোগ্য তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র গরমে ঘাম আর ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস উঠছে কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষের।
সকাল থেকেই সূর্যের প্রখর উত্তাপ নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলছে। দুপুরের দিকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে আসলেও জরুরি প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন, তারা পড়েছেন চরম বিপাকে। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও হকারদের কষ্ট সীমাহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। অনেকেই তৃষ্ণা মেটাতে রাস্তার ধারের শরবত বা পানীয়র দিকে ঝুঁকছেন, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলমান এই তাপপ্রবাহ এখনই থামছে না। আগামী আরও দুই থেকে তিন দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও কয়েক ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি শুরু হলে তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নামতে পারে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরতে পারে।
চিকিৎসকরা এই তীব্র গরমে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি, ওরস্যালাইন ও রসালো ফল খাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের এই সময়ে বাড়তি সতর্কতায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...