জাতীয়সদর
মামলা বাণিজ্য ও বিচার বন্ধ রাখা—এ সবই হাসিনার মডেলে চলছে: রফিউর রাব্বি
NewsView

নিউজভিউ
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার দীর্ঘ ১৫৫ মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার শুরু না হওয়ায় এবং অভিযোগপত্র আদালতে জমা না পড়ায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচিতে বক্তারা এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি।
রফিউর রাব্বি বলেন, “ত্বকী হত্যার বিচারে অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনা সরকারের মতোই ব্যর্থ হয়েছে। তারা দেড় বছর ক্ষমতায় থাকলেও ত্বকী হত্যার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় নাই। শেখ হাসিনা সাড়ে এগারো বছর এ বিচার বন্ধ করে রেখেছিল, এ সরকার দেড় বছরে এ বিচারের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি করেনি। শেখ হাসিনা দেশে বিচার-ব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করে রেখে গিয়েছেন, তার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয় নাই। মামলা বাণিজ্য, বেছে বেছে বিচার করা, বিচার বন্ধ রাখা—এ সবই হাসিনার মডেলেই চলেছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ সরকারের কেউ কেউ ত্বকী হত্যার বিচারের কথা বললেও কার্যত তা হয়নি। শেখ হাসিনা নিজ দলীয় ওসমান পরিবারের ঘাতকদের রক্ষা করতে চেয়েছে, কিন্তু এই সরকার কাদের রক্ষায় কাজ করছে আমরা জানি না। সরকার ও প্রশাসন যতদিন জনবান্ধব ও নিরপেক্ষ না হবে, ততদিন এ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাবে না। নির্বাচনের আগে এখন সবাই ভালো ভালো কথা বলছেন, কিন্তু আমরা জানি না ক্ষমতায় গিয়ে তারা কতটা প্রতিশ্রুতি রাখবেন, কারণ আমাদের অতীত উদাহরণ কখনোই ভালো ছিল না।”
দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মাসুম বলেন, “আইন উপদেষ্টাসহ সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ত্বকী হত্যার বিচার করবে বলে কথা দিলেও তারা কথা রাখেনি। কথার খেলাপ করেছে। এটাকে পরিভাষায় মুনাফেকি বলা হয়।”
সভায় বক্তারা সাগর-রুনী ও তনু হত্যার বিচার দাবির পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের হাতে নিহত আশিক, চঞ্চল, বুলু ও মিঠুসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, জোটের উপদেষ্টা প্রদীপ ঘোষ বাবু, সিপিবি কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বাসদ জেলা সদস্য সচিব আবু নাইম খান বিপ্লব ও সামাজিক সংগঠন সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদের টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও গত এক দশকেও সেই অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়েনি। এর প্রতিবাদে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে সাংস্কৃতিক জোট।
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার দীর্ঘ ১৫৫ মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার শুরু না হওয়ায় এবং অভিযোগপত্র আদালতে জমা না পড়ায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচিতে বক্তারা এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থ’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি।
রফিউর রাব্বি বলেন, “ত্বকী হত্যার বিচারে অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনা সরকারের মতোই ব্যর্থ হয়েছে। তারা দেড় বছর ক্ষমতায় থাকলেও ত্বকী হত্যার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় নাই। শেখ হাসিনা সাড়ে এগারো বছর এ বিচার বন্ধ করে রেখেছিল, এ সরকার দেড় বছরে এ বিচারের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি করেনি। শেখ হাসিনা দেশে বিচার-ব্যবস্থাকে যেভাবে ধ্বংস করে রেখে গিয়েছেন, তার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয় নাই। মামলা বাণিজ্য, বেছে বেছে বিচার করা, বিচার বন্ধ রাখা—এ সবই হাসিনার মডেলেই চলেছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ সরকারের কেউ কেউ ত্বকী হত্যার বিচারের কথা বললেও কার্যত তা হয়নি। শেখ হাসিনা নিজ দলীয় ওসমান পরিবারের ঘাতকদের রক্ষা করতে চেয়েছে, কিন্তু এই সরকার কাদের রক্ষায় কাজ করছে আমরা জানি না। সরকার ও প্রশাসন যতদিন জনবান্ধব ও নিরপেক্ষ না হবে, ততদিন এ দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা পাবে না। নির্বাচনের আগে এখন সবাই ভালো ভালো কথা বলছেন, কিন্তু আমরা জানি না ক্ষমতায় গিয়ে তারা কতটা প্রতিশ্রুতি রাখবেন, কারণ আমাদের অতীত উদাহরণ কখনোই ভালো ছিল না।”
দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মাসুম বলেন, “আইন উপদেষ্টাসহ সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ত্বকী হত্যার বিচার করবে বলে কথা দিলেও তারা কথা রাখেনি। কথার খেলাপ করেছে। এটাকে পরিভাষায় মুনাফেকি বলা হয়।”
সভায় বক্তারা সাগর-রুনী ও তনু হত্যার বিচার দাবির পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের হাতে নিহত আশিক, চঞ্চল, বুলু ও মিঠুসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, জোটের উপদেষ্টা প্রদীপ ঘোষ বাবু, সিপিবি কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বাসদ জেলা সদস্য সচিব আবু নাইম খান বিপ্লব ও সামাজিক সংগঠন সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালের ৫ মার্চ র্যাব সংবাদ সম্মেলনে জানায়, ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদের টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও গত এক দশকেও সেই অভিযোগপত্র আদালতে জমা পড়েনি। এর প্রতিবাদে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে সাংস্কৃতিক জোট।
লোড হচ্ছে...