আন্তর্জাতিক
যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়াতে থাকায় ইরানও যুদ্ধের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। পারমাণবিক স্থাপনা শক্তিশালী করা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পুনর্গঠন এবং সামরিক মহড়া বাড়ানোর মতো নানা পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পরোক্ষ আলোচনা হয়। ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাঘচি জানান, উভয় পক্ষ কিছু “গাইডিং প্রিন্সিপল” বা নির্দেশনামূলক নীতিতে একমত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ “রেড লাইন” ইরান এখনো স্বীকার করেনি। আলোচনার পরও উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি বাড়িয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN।
গত বছরের জুনে ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ ধ্বংস করে এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ব্যপক ক্ষতি সাধন করে। ১২ দিনের সংঘাতে ইরান পাল্টা শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
যদিও সেই সংঘাতে ইরানই বেশী ক্ষতির মুখে পরে, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে—ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা গুলোর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। খোররমাবাদের ইমাম আলি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া বেশ কয়েকটি স্থাপনা আবার তৈরি করা হয়েছে এবং নতুন নির্মাণ কাজ চলছে। তাবরিজি ও হামাদান বিমানঘাঁটিতে ব্যাপক মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শাহরুদে ইরানের সবচেয়ে বড় কঠিন জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র দ্রুত পুনর্গঠন করা হয়েছে, যা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা বাড়াতে পারে।
নতুন স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরান তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো আরও সুরক্ষিত করতে কংক্রিট ও মাটি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঢেকে দিচ্ছে। নাতাঞ্জ এলাকার ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সের প্রবেশপথ শক্তিশালী করা হয়েছে। তেহরানের কাছে পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের একটি স্থাপনাও শক্ত বাঙ্কারে রূপান্তরের কাজ চলছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
গত বছরের যুদ্ধের পর ইরান তাদের নিরাপত্তা ও নেতৃত্ব কাঠামোতেও পরিবর্তন এনেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আলী লারিজানীর নেতৃত্বে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে শক্তিশালী করা হয়েছে এবং যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নতুন “ডিফেন্স কাউন্সিল” গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার আলী শামখানীকে ওই কাউন্সিলের সচিব করা হয়েছে।
ইসরায়েলের হামলার আগে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের অনুপ্রবেশের অভিযোগ সামনে আসে। এরপর থেকে ইরানে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে এবং সরকার বিরোধী আন্দোলন দমন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত ও গ্রেপ্তার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
আলোচনার সময়ই ইরান পারস্য উপসাগরে নৌ-মহড়া চালায় এবং হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে চাইছে যে সম্ভাব্য যুদ্ধে আমেরিকাকে অনেক বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়াতে থাকায় ইরানও যুদ্ধের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। পারমাণবিক স্থাপনা শক্তিশালী করা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পুনর্গঠন এবং সামরিক মহড়া বাড়ানোর মতো নানা পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পরোক্ষ আলোচনা হয়। ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাঘচি জানান, উভয় পক্ষ কিছু “গাইডিং প্রিন্সিপল” বা নির্দেশনামূলক নীতিতে একমত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ “রেড লাইন” ইরান এখনো স্বীকার করেনি। আলোচনার পরও উত্তেজনা কমার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র বিমান ও নৌবাহিনীর শক্তি বাড়িয়েছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN।
গত বছরের জুনে ইসরাইল আকস্মিক হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ ধ্বংস করে এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর ব্যপক ক্ষতি সাধন করে। ১২ দিনের সংঘাতে ইরান পাল্টা শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
যদিও সেই সংঘাতে ইরানই বেশী ক্ষতির মুখে পরে, সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে—ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা গুলোর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। খোররমাবাদের ইমাম আলি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া বেশ কয়েকটি স্থাপনা আবার তৈরি করা হয়েছে এবং নতুন নির্মাণ কাজ চলছে। তাবরিজি ও হামাদান বিমানঘাঁটিতে ব্যাপক মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শাহরুদে ইরানের সবচেয়ে বড় কঠিন জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র দ্রুত পুনর্গঠন করা হয়েছে, যা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত মোতায়েনের সক্ষমতা বাড়াতে পারে।
নতুন স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরান তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো আরও সুরক্ষিত করতে কংক্রিট ও মাটি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঢেকে দিচ্ছে। নাতাঞ্জ এলাকার ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সের প্রবেশপথ শক্তিশালী করা হয়েছে। তেহরানের কাছে পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের একটি স্থাপনাও শক্ত বাঙ্কারে রূপান্তরের কাজ চলছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
গত বছরের যুদ্ধের পর ইরান তাদের নিরাপত্তা ও নেতৃত্ব কাঠামোতেও পরিবর্তন এনেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আলী লারিজানীর নেতৃত্বে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে শক্তিশালী করা হয়েছে এবং যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নতুন “ডিফেন্স কাউন্সিল” গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার আলী শামখানীকে ওই কাউন্সিলের সচিব করা হয়েছে।
ইসরায়েলের হামলার আগে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের অনুপ্রবেশের অভিযোগ সামনে আসে। এরপর থেকে ইরানে নিরাপত্তা কঠোর করা হয়েছে এবং সরকার বিরোধী আন্দোলন দমন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত ও গ্রেপ্তার হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
আলোচনার সময়ই ইরান পারস্য উপসাগরে নৌ-মহড়া চালায় এবং হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে চাইছে যে সম্ভাব্য যুদ্ধে আমেরিকাকে অনেক বেশি মূল্য দিতে হতে পারে।
লোড হচ্ছে...