আন্তর্জাতিক
১৪২ বছরে বিদায় নিলেন ৪০ বার হজ করা ব্যক্তি
NewsView

নিউজভিউ আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আধুনিক সৌদি আরবের উত্থান-পতনের এক জীবন্ত ইতিহাস ছিলেন তিনি। অবশেষে ১৪২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন দেশটির সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত নাসের বিন রাদান আল রশিদ আল ওয়াদাই। রোববার (১১ জানুয়ারি) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
নাসের আল ওয়াদাইয়ের জন্ম সৌদি আরব রাষ্ট্র হিসেবে একীভূত হওয়ার আগেই। তিনি আধুনিক সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ থেকে শুরু করে বর্তমান বাদশাহ সালমান পর্যন্ত প্রত্যেক শাসকের শাসনকাল সচক্ষে দেখেছেন। তাঁর ১৪২ বছরের দীর্ঘ জীবনে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক আমূল পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি।
পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে, নাসের আল ওয়াদাই ছিলেন একজন অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ মানুষ। তিনি এক জীবনে অন্তত ৪০ বার পবিত্র হজ পালন করেছেন। তাঁর উত্তরাধিকারীর সংখ্যাও বিশাল; তিনি মৃত্যুকালে ১৩৪ জন সন্তান ও নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। অবাক করার মতো বিষয় হলো, তিনি সর্বশেষ ১১০ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং পরবর্তীতে একটি কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছিলেন।
দক্ষিণ সৌদি আরবের ধাহরান আল জানুব এলাকায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরু অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই জানাজায় সাত হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে নিজ গ্রাম আল রশিদে তাঁকে দাফন করা হয়।
সৌদি আরবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নেটিজেনরা তাঁকে ‘বিশ্বাস ও সহনশীলতার প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, তাঁর চলে যাওয়ার মাধ্যমে আরবের ইতিহাসের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
আধুনিক সৌদি আরবের উত্থান-পতনের এক জীবন্ত ইতিহাস ছিলেন তিনি। অবশেষে ১৪২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন দেশটির সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত নাসের বিন রাদান আল রশিদ আল ওয়াদাই। রোববার (১১ জানুয়ারি) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
নাসের আল ওয়াদাইয়ের জন্ম সৌদি আরব রাষ্ট্র হিসেবে একীভূত হওয়ার আগেই। তিনি আধুনিক সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আবদুল আজিজ থেকে শুরু করে বর্তমান বাদশাহ সালমান পর্যন্ত প্রত্যেক শাসকের শাসনকাল সচক্ষে দেখেছেন। তাঁর ১৪২ বছরের দীর্ঘ জীবনে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক আমূল পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি।
পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে, নাসের আল ওয়াদাই ছিলেন একজন অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ মানুষ। তিনি এক জীবনে অন্তত ৪০ বার পবিত্র হজ পালন করেছেন। তাঁর উত্তরাধিকারীর সংখ্যাও বিশাল; তিনি মৃত্যুকালে ১৩৪ জন সন্তান ও নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। অবাক করার মতো বিষয় হলো, তিনি সর্বশেষ ১১০ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন এবং পরবর্তীতে একটি কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছিলেন।
দক্ষিণ সৌদি আরবের ধাহরান আল জানুব এলাকায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরু অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এই জানাজায় সাত হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে নিজ গ্রাম আল রশিদে তাঁকে দাফন করা হয়।
সৌদি আরবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নেটিজেনরা তাঁকে ‘বিশ্বাস ও সহনশীলতার প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, তাঁর চলে যাওয়ার মাধ্যমে আরবের ইতিহাসের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
লোড হচ্ছে...