নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট-২’ অভিযানে ২৬ জন গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ কার্যক্রম ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ এর আওতায় একদিনে ২৬ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার জেলার সাতটি থানা এলাকায় একযোগে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন মামলার আসামীরা রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সদর মডেল থানা থেকে আজিজুর রহমান, জহিরুল ইসলাম শান্ত ও মো. রবিউল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে মো. আরাফাত হোসেন ও মো. ফয়েজ আহম্মেদ ওরফে বরফি চোরা মাইজা ফয়েজকে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে সবচেয়ে বেশি ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়, তারা হলেন নূর সালাম, মো. জুয়েল, মো. সেন্টু, মো. নাঈম হোসেন, ফিরোজ, মো. বাপ্পি, রফিকুল ইসলাম ও মো. মিলন শেখ। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে আরিফ হোসেন, মো. ইয়াকুব আলী ও মাইদুল ইসলামকে। রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. রাকিব মোল্লা, ফয়সাল আহাম্মেদ, দ্বীন ইসলাম অপু, মো. মহর আলী ও মো. লিটনকে।
এছাড়া সোনারগাঁও থানা থেকে হিরা ও মো. আ. রহমান এবং আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে জমির আলী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে সাতটি চেকপোস্টের মাধ্যমে ২৮০টি গাড়ি এবং ৩৪৮টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ২৪টি প্রসিকিউশন দাখিল এবং ১৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ কার্যক্রম ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ এর আওতায় একদিনে ২৬ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার জেলার সাতটি থানা এলাকায় একযোগে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন মামলার আসামীরা রয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সদর মডেল থানা থেকে আজিজুর রহমান, জহিরুল ইসলাম শান্ত ও মো. রবিউল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে মো. আরাফাত হোসেন ও মো. ফয়েজ আহম্মেদ ওরফে বরফি চোরা মাইজা ফয়েজকে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে সবচেয়ে বেশি ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়, তারা হলেন নূর সালাম, মো. জুয়েল, মো. সেন্টু, মো. নাঈম হোসেন, ফিরোজ, মো. বাপ্পি, রফিকুল ইসলাম ও মো. মিলন শেখ। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে আরিফ হোসেন, মো. ইয়াকুব আলী ও মাইদুল ইসলামকে। রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আ’লীগের প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. রাকিব মোল্লা, ফয়সাল আহাম্মেদ, দ্বীন ইসলাম অপু, মো. মহর আলী ও মো. লিটনকে।
এছাড়া সোনারগাঁও থানা থেকে হিরা ও মো. আ. রহমান এবং আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে জমির আলী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে সাতটি চেকপোস্টের মাধ্যমে ২৮০টি গাড়ি এবং ৩৪৮টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ২৪টি প্রসিকিউশন দাখিল এবং ১৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জেলা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
লোড হচ্ছে...