রাজনীতিসদর
এজেন্টদের হুমকি ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ গিয়াসউদ্দিনের
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগের রাত থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং কেন্দ্র দখল করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
গিয়াসউদ্দিন দাবি করেন, গতকাল রাত থেকেই তাঁর পোলিং এজেন্টদের বাড়িঘর ঘেরাও করা হয়েছে। এজেন্টরা যাতে কেন্দ্রে যেতে না পারে সেজন্য তাঁদের শাসানো হয়েছে এবং অনেককেই কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কেন্দ্রগুলো ঘিরে রাখা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ ভোটাররা সেখানে যেতে ভয় পাচ্ছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব পদ্ধতি তারা চরমভাবে লঙ্ঘন করেছে।”
সিদ্ধিরগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকায় কুখ্যাত দাগি আসামিদের নামিয়ে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচপুর ইউনিয়নে খুনের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং রাত থেকে ভোটারদের হুমকি দিয়ে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গিয়াসউদ্দিন আরও বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের যে প্রত্যাশা মানুষের ছিল, তা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অনেক ভোটার ভয়ের কারণে কেন্দ্রে আসছেন না, আর যারা আসছেন তাদের জোর করে ধানের শীষে ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।”
এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যাব। অনেকদিন পর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, আমি এই মাঠ ছেড়ে সরে দাঁড়াব না।”
সন্ত্রাস ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে ভোটগ্রহণের নিশ্চয়তা চেয়ে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগের রাত থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং কেন্দ্র দখল করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোট প্রদান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
গিয়াসউদ্দিন দাবি করেন, গতকাল রাত থেকেই তাঁর পোলিং এজেন্টদের বাড়িঘর ঘেরাও করা হয়েছে। এজেন্টরা যাতে কেন্দ্রে যেতে না পারে সেজন্য তাঁদের শাসানো হয়েছে এবং অনেককেই কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে কেন্দ্রগুলো ঘিরে রাখা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ ভোটাররা সেখানে যেতে ভয় পাচ্ছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব পদ্ধতি তারা চরমভাবে লঙ্ঘন করেছে।”
সিদ্ধিরগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এই এলাকায় কুখ্যাত দাগি আসামিদের নামিয়ে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে কাঁচপুর ইউনিয়নে খুনের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং রাত থেকে ভোটারদের হুমকি দিয়ে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
গিয়াসউদ্দিন আরও বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের যে প্রত্যাশা মানুষের ছিল, তা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অনেক ভোটার ভয়ের কারণে কেন্দ্রে আসছেন না, আর যারা আসছেন তাদের জোর করে ধানের শীষে ভোট দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।”
এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে যাব। অনেকদিন পর মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, আমি এই মাঠ ছেড়ে সরে দাঁড়াব না।”
সন্ত্রাস ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে ভোটগ্রহণের নিশ্চয়তা চেয়ে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।
লোড হচ্ছে...