আদালত
জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রুখতে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান
NHP NewsView

নিউজভিউ
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও চড়া মূল্য আদায় ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (৭ মার্চ) জেলার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ও ফিলিং স্টেশনে একযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।
অভিযানকালে শহরের চাষাঢ়ার প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশন, সাইনবোর্ডের প্রাইম ও চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তেলের মজুত, চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। এ সময় চাষাঢ়া এলাকায় অনেক মোটরসাইকেল চালক অভিযোগ করেন যে, পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। তবে পাম্প কর্মীদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গ্রাহকদের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িকের কারণে সরবরাহে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ড এলাকার প্রাইম, চৌরঙ্গী ও ফিরোজ ফিলিং স্টেশনে তদারকি করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদ। সানাড়পাড়ের জোনাকী ও মেঘনা ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম হাসান তানিশা। এছাড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর এবং সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী করের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
বন্দর উপজেলার ১০টি পাম্পে পুলিশসহ তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার। রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ উপজেলাতেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ মারজানুর রহমান ও তৌফিকুর রহমানের নেতৃত্বে পাম্পগুলো পরিদর্শন করা হয়। সোনারগাঁয়ে অভিযানকালে একটি পাম্প বন্ধ পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং কোনো পাম্প কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও চড়া মূল্য আদায় ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (৭ মার্চ) জেলার পাঁচটি উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ও ফিলিং স্টেশনে একযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।
অভিযানকালে শহরের চাষাঢ়ার প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশন, সাইনবোর্ডের প্রাইম ও চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে তেলের মজুত, চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাই করা হয়। এ সময় চাষাঢ়া এলাকায় অনেক মোটরসাইকেল চালক অভিযোগ করেন যে, পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও তাঁদের দেওয়া হচ্ছে না। তবে পাম্প কর্মীদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গ্রাহকদের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িকের কারণে সরবরাহে কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ড এলাকার প্রাইম, চৌরঙ্গী ও ফিরোজ ফিলিং স্টেশনে তদারকি করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তারিফ আল তাওহীদ। সানাড়পাড়ের জোনাকী ও মেঘনা ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম হাসান তানিশা। এছাড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূর এবং সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানী করের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
বন্দর উপজেলার ১০টি পাম্পে পুলিশসহ তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার। রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ উপজেলাতেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ মারজানুর রহমান ও তৌফিকুর রহমানের নেতৃত্বে পাম্পগুলো পরিদর্শন করা হয়। সোনারগাঁয়ে অভিযানকালে একটি পাম্প বন্ধ পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং কোনো পাম্প কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...