রাজনীতিসদর
শহিদ তাজুল স্মরণে আলোচনা সভা
NHP NewsView

নিউজভিউ
শহিদ তাজুল দিবস স্মরণে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জেলা শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেল চারটায় শহরের ২নং রেলগেট সংলগ্ন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট মিলনায়তনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট জেলা সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লবের সভাপতিত্বে সভায় জেলার শীর্ষ শ্রমিক নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা ১৯৮৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদমজী পাটকলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর মদতপুষ্ট বাহিনীর নৃশংস হামলায় শ্রমিক নেতা তাজুল ইসলামের আত্মত্যাগ এ দেশের শ্রমিক আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশব্যাপী যে তীব্র গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তারই মুখে তৎকালীন সরকার শ্রমিকদের ৫ দফা দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। নেতৃবৃন্দ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলেও সাধারণ শ্রমজীবীদের অধিকার ও নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে এখনও কোনো কার্যকর ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সভায় আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শ্রমিকদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশে এখনও জাতীয় নিম্নতম মজুরি আইন নেই এবং ৮৫ শতাংশ অপ্রতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মালিকপক্ষ প্রায়ই শ্রম আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে শ্রমিক ছাঁটাই ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়ন এখন মেহনতি মানুষের কাছে একটি অধরা স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সমাবেশ থেকে বিশেষ দাবি জানানো হয়। নেতারা বলেন, ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকের পাওনা বকেয়া ও পূর্ণ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে। উৎসবের আগে কোনো অবস্থাতেই শ্রমিক ছাঁটাই বরদাশত করা হবে না। বেতন-বোনাস নিয়ে মালিকপক্ষের কোনো ধরনের টালবাহানা যেন কারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে আগেভাগেই তৎপর হতে প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান নেতারা।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান এবং বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আবু হাসান টিপু। এছাড়া আব্দুল হাই শরীফ, বিমল কান্তি দাস, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি সেলিম মাহমুদ ও বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির জেলা সভাপতি রাশিদা বেগমসহ অন্যান্য নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন।
শহিদ তাজুল দিবস স্মরণে নারায়ণগঞ্জে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে জেলা শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেল চারটায় শহরের ২নং রেলগেট সংলগ্ন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট মিলনায়তনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট জেলা সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লবের সভাপতিত্বে সভায় জেলার শীর্ষ শ্রমিক নেতারা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা ১৯৮৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদমজী পাটকলে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর মদতপুষ্ট বাহিনীর নৃশংস হামলায় শ্রমিক নেতা তাজুল ইসলামের আত্মত্যাগ এ দেশের শ্রমিক আন্দোলনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশব্যাপী যে তীব্র গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল, তারই মুখে তৎকালীন সরকার শ্রমিকদের ৫ দফা দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়। নেতৃবৃন্দ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থানে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলেও সাধারণ শ্রমজীবীদের অধিকার ও নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে এখনও কোনো কার্যকর ও সুস্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সভায় আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শ্রমিকদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরা হয়। বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশে এখনও জাতীয় নিম্নতম মজুরি আইন নেই এবং ৮৫ শতাংশ অপ্রতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মালিকপক্ষ প্রায়ই শ্রম আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে শ্রমিক ছাঁটাই ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে বলে দাবি করেন তাঁরা। গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়ন এখন মেহনতি মানুষের কাছে একটি অধরা স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সমাবেশ থেকে বিশেষ দাবি জানানো হয়। নেতারা বলেন, ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকের পাওনা বকেয়া ও পূর্ণ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে। উৎসবের আগে কোনো অবস্থাতেই শ্রমিক ছাঁটাই বরদাশত করা হবে না। বেতন-বোনাস নিয়ে মালিকপক্ষের কোনো ধরনের টালবাহানা যেন কারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে আগেভাগেই তৎপর হতে প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান নেতারা।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান এবং বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আবু হাসান টিপু। এছাড়া আব্দুল হাই শরীফ, বিমল কান্তি দাস, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের জেলা সভাপতি সেলিম মাহমুদ ও বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির জেলা সভাপতি রাশিদা বেগমসহ অন্যান্য নেতারা সংহতি প্রকাশ করেন।
লোড হচ্ছে...