সারা দেশ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া
NewsView6

গাছে গাছে ফুটে আছে কৃষ্ণচূড়া ফুল
নিউজভিউ ডেস্ক
বৈশাখের তাপপ্রবাহে ঘরে-বাইরে অসহনীয় গরম। হালকা দখিনা বাতাসে ভেসে আসছে ফুলের সৌরভ। ওপর দিকে তাকাতেই চোখে পড়ে লাল-সবুজের লুকোচুরি খেলা। কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটে আছে গাছে গাছে। প্রকৃতিকে সাজাতে মেতে ওঠেছে এই গাছগুলো। এমন দৃশ্য দেখা যায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল অংশে।
এ ব্যতিক্রমী বিরূপ আবহাওয়ায় যখন মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, সে মুহূর্তে নির্মল বাতাসে নিশ্বাস নিতে ও আনন্দ বিনোদন পেতে হাতের কাছেই কৃষ্ণচূড়ার ছায়তল যেন স্বপ্নের মতো হয়ে উঠেছে ভ্রমণ পিপাসুদের।
উপজেলার পৌর শহরের কোর্ট ভবন এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের একটি কৃষ্ণচূড়া শোভিত গাছের নিচে কয়েকজন যুবক কৃষ্ণচচূড়ার সুশীতল ছায়াতলের মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তুলছেন ছবি। একে অন্যের ছবি তুলতে ব্যস্ত তারা। কেউ কেউ আবার নিজেই নিজের সেলফি তুলছেন। পাশেই কৃষ্ণচূড়ার সুশীতল ছায়াতলে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হৃদয়কে একটু প্রশান্তি দিতে বিশ্রাম নিচ্ছেন এক ভ্যানগাড়ি চালক। তবে সব ফুল যে কৃষ্ণচূড়ার মতো নজর কাড়তে পারছে তা কিন্তু নয়।
শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষটি দেশের গ্রাম-বাংলার পাশাপাশি এখনো তার নড়বড়ে অস্তিত্ব নিয়ে কোনোক্রমে টিকে আছে শহরের পথে-প্রান্তরে। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এই ফুল যেন এখন বাঙালির ঐতিহ্যেরই একটা অংশ হয়ে গিয়েছে সবার অজান্তেই। এর সবচেয়ে বড় খ্যাতি হচ্ছে মোহনীয় রক্তিম আভা। সবুজের বুকচিরে বের হয়ে আসা লাল ফুল এতোটাই মোহনীয় যে, পথচারীরাও থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হন।
বৃক্ষপ্রেমিক লেখক এস এম মাসুদ রানা বলেন, ‘মহাসড়কের পাশের এই কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো সৌন্দর্য আমার দৃষ্টি কেড়েছে। তাই এই সৌন্দর্য উপভোগের মুহূর্তটিকে স্মরনীয় করে রাখতে ছবি তুলেছি।’
জানা যায়, ২০১৬ সালে ত্রিশালের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু জাফর রিপন ‘সবুজ ত্রিশাল’ গড়ার লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারাগুলো রোপণ করেছিলেন। বর্তমানে রোপণকৃত ঐ চারাগুলোই অপরূপ সাজে সেজেছে, যা সহজেই নজর কাড়ছে পথচারীদের।
বৈশাখের তাপপ্রবাহে ঘরে-বাইরে অসহনীয় গরম। হালকা দখিনা বাতাসে ভেসে আসছে ফুলের সৌরভ। ওপর দিকে তাকাতেই চোখে পড়ে লাল-সবুজের লুকোচুরি খেলা। কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটে আছে গাছে গাছে। প্রকৃতিকে সাজাতে মেতে ওঠেছে এই গাছগুলো। এমন দৃশ্য দেখা যায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল অংশে।
এ ব্যতিক্রমী বিরূপ আবহাওয়ায় যখন মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, সে মুহূর্তে নির্মল বাতাসে নিশ্বাস নিতে ও আনন্দ বিনোদন পেতে হাতের কাছেই কৃষ্ণচূড়ার ছায়তল যেন স্বপ্নের মতো হয়ে উঠেছে ভ্রমণ পিপাসুদের।
উপজেলার পৌর শহরের কোর্ট ভবন এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের একটি কৃষ্ণচূড়া শোভিত গাছের নিচে কয়েকজন যুবক কৃষ্ণচচূড়ার সুশীতল ছায়াতলের মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তুলছেন ছবি। একে অন্যের ছবি তুলতে ব্যস্ত তারা। কেউ কেউ আবার নিজেই নিজের সেলফি তুলছেন। পাশেই কৃষ্ণচূড়ার সুশীতল ছায়াতলে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত হৃদয়কে একটু প্রশান্তি দিতে বিশ্রাম নিচ্ছেন এক ভ্যানগাড়ি চালক। তবে সব ফুল যে কৃষ্ণচূড়ার মতো নজর কাড়তে পারছে তা কিন্তু নয়।
শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষটি দেশের গ্রাম-বাংলার পাশাপাশি এখনো তার নড়বড়ে অস্তিত্ব নিয়ে কোনোক্রমে টিকে আছে শহরের পথে-প্রান্তরে। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এই ফুল যেন এখন বাঙালির ঐতিহ্যেরই একটা অংশ হয়ে গিয়েছে সবার অজান্তেই। এর সবচেয়ে বড় খ্যাতি হচ্ছে মোহনীয় রক্তিম আভা। সবুজের বুকচিরে বের হয়ে আসা লাল ফুল এতোটাই মোহনীয় যে, পথচারীরাও থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হন।
বৃক্ষপ্রেমিক লেখক এস এম মাসুদ রানা বলেন, ‘মহাসড়কের পাশের এই কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো সৌন্দর্য আমার দৃষ্টি কেড়েছে। তাই এই সৌন্দর্য উপভোগের মুহূর্তটিকে স্মরনীয় করে রাখতে ছবি তুলেছি।’
জানা যায়, ২০১৬ সালে ত্রিশালের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু জাফর রিপন ‘সবুজ ত্রিশাল’ গড়ার লক্ষ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারাগুলো রোপণ করেছিলেন। বর্তমানে রোপণকৃত ঐ চারাগুলোই অপরূপ সাজে সেজেছে, যা সহজেই নজর কাড়ছে পথচারীদের।
লোড হচ্ছে...