নারায়ণগঞ্জসদর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
NHP NewsView

নিউজভিউ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যিক চুক্তিকে ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ ও ‘গোলামীর দলিল’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত এক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই দাবি তোলা হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পাদিত এই চুক্তির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান।
সমাবেশে উপস্থিত নেতারা তথ্য তুলে ধরে জানান, এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে মার্কিন ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্ক ছাড় দিতে হবে, বিপরীতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে মাত্র ১,৬৩৮টি পণ্যে। সিপিডির হিসাব অনুযায়ী, এর ফলে দেশ বার্ষিক ১,৩২৭ কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কেনার স্বাধীনতা হারিয়ে বাংলাদেশ চড়া দামে মার্কিন গম, তুলা ও শিল্পপণ্য কিনতে বাধ্য হবে বলে সভায় জানানো হয়। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মার্কিন বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় আইনের লঙ্ঘন।
বক্তব্যে নেতারা দাবি করেন, এই চুক্তি কেবল বাণিজ্যিক নয় বরং একটি কৌশলগত অধীনতার দলিল। চুক্তির ৪.১ ধারা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে বাংলাদেশকেও তা মানতে বাধ্য করা যাবে, যা দেশের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী। এছাড়া ডিজিটাল বাণিজ্য ও বৈদেশিক নীতি নির্ধারণে ওয়াশিংটনের ভেটো-ক্ষমতা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। এই অসম চুক্তির নেপথ্য কারিগর হিসেবে তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করা হয়।
বক্তারা মালয়েশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদাহরণ টেনে বলেন, যেখানে অনেক দেশ এই বৈষম্যমূলক চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে বাংলাদেশ কেন মাথা নত করে থাকবে। তারা বিএনপি সরকারকে অবিলম্বে এই চুক্তির বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সমাবেশে কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, জেলা সিপিবি সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী, বাসদ জেলা সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব ও বাংলাদেশ জাসদ জেলা সভাপতি সোলায়মান দেওয়ানসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন। দাবি আদায় না হলে আগামীতে শ্রমিক-কৃষক ও ছাত্র সমাজকে সাথে নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র গণ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যিক চুক্তিকে ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ ও ‘গোলামীর দলিল’ আখ্যা দিয়ে তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত এক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই দাবি তোলা হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তারা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সম্পাদিত এই চুক্তির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান।
সমাবেশে উপস্থিত নেতারা তথ্য তুলে ধরে জানান, এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে মার্কিন ৬ হাজার ৭১০টি পণ্যে শুল্ক ছাড় দিতে হবে, বিপরীতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে মাত্র ১,৬৩৮টি পণ্যে। সিপিডির হিসাব অনুযায়ী, এর ফলে দেশ বার্ষিক ১,৩২৭ কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কেনার স্বাধীনতা হারিয়ে বাংলাদেশ চড়া দামে মার্কিন গম, তুলা ও শিল্পপণ্য কিনতে বাধ্য হবে বলে সভায় জানানো হয়। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উন্মুক্ত দরপত্র ছাড়াই প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মার্কিন বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় আইনের লঙ্ঘন।
বক্তব্যে নেতারা দাবি করেন, এই চুক্তি কেবল বাণিজ্যিক নয় বরং একটি কৌশলগত অধীনতার দলিল। চুক্তির ৪.১ ধারা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে বাংলাদেশকেও তা মানতে বাধ্য করা যাবে, যা দেশের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী। এছাড়া ডিজিটাল বাণিজ্য ও বৈদেশিক নীতি নির্ধারণে ওয়াশিংটনের ভেটো-ক্ষমতা মেনে নেওয়া হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। এই অসম চুক্তির নেপথ্য কারিগর হিসেবে তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করা হয়।
বক্তারা মালয়েশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদাহরণ টেনে বলেন, যেখানে অনেক দেশ এই বৈষম্যমূলক চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, সেখানে বাংলাদেশ কেন মাথা নত করে থাকবে। তারা বিএনপি সরকারকে অবিলম্বে এই চুক্তির বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সমাবেশে কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, জেলা সিপিবি সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী, বাসদ জেলা সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব ও বাংলাদেশ জাসদ জেলা সভাপতি সোলায়মান দেওয়ানসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন। দাবি আদায় না হলে আগামীতে শ্রমিক-কৃষক ও ছাত্র সমাজকে সাথে নিয়ে দেশব্যাপী তীব্র গণ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
লোড হচ্ছে...