খেলা
২০২৪ সালের দেড় কোটি টাকা পাননি সাবিনারা, জিতলেন আরেকটি সাফ
NewsView

নিউজভিউ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর পার হয়েছে বেশ কয়েক মাস। দায়িত্ব নিয়েই তারা ঘোষণা দিয়েছিল সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাফুফের সেই ঘোষিত পুরস্কার আজও সাবিনা-কৃষ্ণাদের কাছে ‘সোনার হরিণ’ হয়েই আছে।
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর বাফুফে ভবনের প্রথম সভায় নারী দলের জন্য এই বিশাল অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর ২৩ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ফুটবলারদের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু সভাপতির সেই ডেডলাইন পার হয়ে আরও দুই মাস কেটে গেলেও সাবিনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এক টাকাও জমা পড়েনি।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, এরই মধ্যে বাংলাদেশের মেয়েরা আরও একটি ইতিহাস গড়েছেন প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন হয়ে। একের পর এক সাফল্যের মাধ্যমে সাবিনারা যখন বাফুফে কর্মকর্তাদের মুখ উজ্জ্বল করছেন, তখন খোদ ফেডারেশনের পক্ষ থেকেই তাদের প্রতি করা হচ্ছে এই উদাসীন আচরণ। অথচ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনসহ অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান তাদের ঘোষিত পুরস্কারের টাকা ফুটবলারদের হাতে অনেক আগেই বুঝিয়ে দিয়েছে।
মাঠের পারফরম্যান্সেও বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠছে। পুরুষ ফুটবল দল গত সাফে কেবল সেমিফাইনালে খেলেই মোটা অঙ্কের পুরস্কার পেয়েছিল কোনো বিলম্ব ছাড়াই। কিন্তু নারীরা টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েও কেন বারবার আশ্বাসের গ্যাঁড়াকলে আটকে পড়ছেন, তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, সাবিনাদের কি প্রাপ্য পুরস্কার পেতে আরও একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষা করতে হবে? নাকি বাফুফে কর্তারা তাঁদের দীর্ঘ প্রতিশ্রুতির অবসান ঘটিয়ে দ্রুতই এই পাওনা পরিশোধ করবেন?
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর পার হয়েছে বেশ কয়েক মাস। দায়িত্ব নিয়েই তারা ঘোষণা দিয়েছিল সাফজয়ী নারী ফুটবলারদের দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাফুফের সেই ঘোষিত পুরস্কার আজও সাবিনা-কৃষ্ণাদের কাছে ‘সোনার হরিণ’ হয়েই আছে।
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর বাফুফে ভবনের প্রথম সভায় নারী দলের জন্য এই বিশাল অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর ২৩ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ফুটবলারদের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু সভাপতির সেই ডেডলাইন পার হয়ে আরও দুই মাস কেটে গেলেও সাবিনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এক টাকাও জমা পড়েনি।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, এরই মধ্যে বাংলাদেশের মেয়েরা আরও একটি ইতিহাস গড়েছেন প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন হয়ে। একের পর এক সাফল্যের মাধ্যমে সাবিনারা যখন বাফুফে কর্মকর্তাদের মুখ উজ্জ্বল করছেন, তখন খোদ ফেডারেশনের পক্ষ থেকেই তাদের প্রতি করা হচ্ছে এই উদাসীন আচরণ। অথচ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনসহ অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান তাদের ঘোষিত পুরস্কারের টাকা ফুটবলারদের হাতে অনেক আগেই বুঝিয়ে দিয়েছে।
মাঠের পারফরম্যান্সেও বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠছে। পুরুষ ফুটবল দল গত সাফে কেবল সেমিফাইনালে খেলেই মোটা অঙ্কের পুরস্কার পেয়েছিল কোনো বিলম্ব ছাড়াই। কিন্তু নারীরা টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েও কেন বারবার আশ্বাসের গ্যাঁড়াকলে আটকে পড়ছেন, তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
এখন প্রশ্ন উঠেছে, সাবিনাদের কি প্রাপ্য পুরস্কার পেতে আরও একটি শিরোপার জন্য অপেক্ষা করতে হবে? নাকি বাফুফে কর্তারা তাঁদের দীর্ঘ প্রতিশ্রুতির অবসান ঘটিয়ে দ্রুতই এই পাওনা পরিশোধ করবেন?
লোড হচ্ছে...