নারায়ণগঞ্জসদর
ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে শিশুকে হত্যা
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার রোমহর্ষক রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ধর্ষণের চেষ্টায় বাধা এবং বিষয়টি পরিবারকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে ওই শিশুকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে জীবন মিয়া (১৫) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মঙ্গলবার উত্তর নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ওই শিশু। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর ৬ এপ্রিল বিকেলে হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে ওই শিশুর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথায় ইটের আঘাত ও শরীরে পাশবিক নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের ভাই সজিব মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান জানান, মামলার পরপরই পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে একটি নির্দিষ্ট পোশাক পরিহিত কিশোরকে শনাক্ত করা হয়। সেই সূত্র ধরে জীবন মিয়াকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, ওই শিশুকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল সে। শিশুটি চিৎকার করে পরিবারের কাছে বলে দেওয়ার ভয় দেখালে জীবন ক্ষিপ্ত হয়ে পাশে থাকা ইট দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জীবন মিয়ার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও সংগৃহীত আলামত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার রোমহর্ষক রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ধর্ষণের চেষ্টায় বাধা এবং বিষয়টি পরিবারকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে ওই শিশুকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে জীবন মিয়া (১৫) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মঙ্গলবার উত্তর নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ওই শিশু। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর ৬ এপ্রিল বিকেলে হাজী হাশেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে ওই শিশুর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথায় ইটের আঘাত ও শরীরে পাশবিক নির্যাতনের স্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়। এই ঘটনায় নিহতের ভাই সজিব মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান জানান, মামলার পরপরই পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে একটি নির্দিষ্ট পোশাক পরিহিত কিশোরকে শনাক্ত করা হয়। সেই সূত্র ধরে জীবন মিয়াকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে যে, ওই শিশুকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল সে। শিশুটি চিৎকার করে পরিবারের কাছে বলে দেওয়ার ভয় দেখালে জীবন ক্ষিপ্ত হয়ে পাশে থাকা ইট দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জীবন মিয়ার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও সংগৃহীত আলামত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
লোড হচ্ছে...