জাতীয়
হামের খরচ মেটাতে ঋণ, চাকরি হারাচ্ছেন অভিভাবকরা
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
দেশে হামে আক্রান্ত পরিবারের অধিকাংশই চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট ব্যয় মেটাতে মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে ৯টিই ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছে এবং অনেক অভিভাবক চাকরি হারানোর কথাও জানিয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যৌথভাবে এ তথ্য প্রকাশ করে। অন্তত ১২টি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর জরিপ চালানো হয়।
আইএফআরসির ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রা বলেন, হামের প্রভাব শুধু হাসপাতালের চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি পরিবারগুলোকেও গভীর আর্থিক সংকটে ফেলে দেয়।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৮৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় এক লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে, হাসপাতালের চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও ওষুধ, যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য খরচ দ্রুত বেড়ে যায়। ৩৫ শতাংশ পরিবার ওষুধ কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছে এবং ২২ শতাংশ পরিবারের খাবার সহায়তা প্রয়োজন হয়েছে।
আক্রান্ত পরিবারের বেশিরভাগই দরিদ্র ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। তাদের মাসিক আয় প্রায় ৫ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ১৯ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে। অথচ হামের চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বাবদ গড়ে প্রায় ১৬ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া হাজেরা খাতুন জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ফ্রি হলেও অন্য খরচ কেউ বহন করে না। ঢাকায় হাসপাতালে যেতে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াতেই তার প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব কবির এম আশরাফ আলম বলেন, অনেক পরিবার শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিতেই নয়, চরম আর্থিক চাপের মধ্যেও পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামে নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক। কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ানো এ রোগ শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়; জটিলতায় মস্তিষ্কে ফোলাভাব ও গুরুতর শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে।
সোমবার (৩ আগস্ট) ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যৌথভাবে এ তথ্য প্রকাশ করে। অন্তত ১২টি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর জরিপ চালানো হয়।
আইএফআরসির ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান আলবার্তো বোকানেগ্রা বলেন, হামের প্রভাব শুধু হাসপাতালের চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি পরিবারগুলোকেও গভীর আর্থিক সংকটে ফেলে দেয়।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৮৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় এক লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
জরিপে দেখা গেছে, হাসপাতালের চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও ওষুধ, যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য খরচ দ্রুত বেড়ে যায়। ৩৫ শতাংশ পরিবার ওষুধ কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছে এবং ২২ শতাংশ পরিবারের খাবার সহায়তা প্রয়োজন হয়েছে।
আক্রান্ত পরিবারের বেশিরভাগই দরিদ্র ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। তাদের মাসিক আয় প্রায় ৫ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ১৯ হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে। অথচ হামের চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট খরচ বাবদ গড়ে প্রায় ১৬ হাজার টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া হাজেরা খাতুন জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ফ্রি হলেও অন্য খরচ কেউ বহন করে না। ঢাকায় হাসপাতালে যেতে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াতেই তার প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব কবির এম আশরাফ আলম বলেন, অনেক পরিবার শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিতেই নয়, চরম আর্থিক চাপের মধ্যেও পড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামে নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক। কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ানো এ রোগ শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়; জটিলতায় মস্তিষ্কে ফোলাভাব ও গুরুতর শ্বাসকষ্ট পর্যন্ত হতে পারে।
লোড হচ্ছে...