নারায়ণগঞ্জসদর
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা-দাফনে অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী আরিফ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে কড়া পুলিশ পাহারায় ফতুল্লার কোতোয়ালেরবাগ এলাকায় তাকে নিয়ে আসা হয়।
আরিফ মাহমুদ ফতুল্লার কোতোয়ালেরবাগ এলাকার মৃত আব্দুর রব ও আমেনা বেগমের ছেলে। মায়ের মৃত্যুতে মানবিক কারণে আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে চার ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে আরিফ মাহমুদের মা আমেনা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরিফ মাহমুদ গত প্রায় দুই মাস ধরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষ পাহারায় তাকে কারাগার থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। দাফন কার্যক্রম ও জানাজা শেষে চার ঘণ্টার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আগেই তাকে পুনরায় জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
কারা পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই আরিফ মাহমুদ তার মায়ের শেষ বিদায়ে শরিক হন।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী আরিফ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে কড়া পুলিশ পাহারায় ফতুল্লার কোতোয়ালেরবাগ এলাকায় তাকে নিয়ে আসা হয়।
আরিফ মাহমুদ ফতুল্লার কোতোয়ালেরবাগ এলাকার মৃত আব্দুর রব ও আমেনা বেগমের ছেলে। মায়ের মৃত্যুতে মানবিক কারণে আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে চার ঘণ্টার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে আরিফ মাহমুদের মা আমেনা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আরিফ মাহমুদ গত প্রায় দুই মাস ধরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষ পাহারায় তাকে কারাগার থেকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। দাফন কার্যক্রম ও জানাজা শেষে চার ঘণ্টার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আগেই তাকে পুনরায় জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
কারা পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেই আরিফ মাহমুদ তার মায়ের শেষ বিদায়ে শরিক হন।
লোড হচ্ছে...