নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে প্রার্থিতা ফিরে পেতে ১৩ প্রার্থীর আপিল করার প্রস্তুতি
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে লড়াই শুরু করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার লক্ষ্যে পর্যন্ত ১৩ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্রের নকল সংগ্রহ করেছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিউজভিউ’র প্রতিবেদককে নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত যারা আপিলের প্রস্তুতি হিসেবে নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে রয়েছেন সিপিবির মনিরুজ্জামান চন্দন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দুলাল।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে নকল সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা হাবিবুল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আউয়াল ও মিনহাজুর রহমান। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেতে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিপিবির ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির সেলিম আহমেদ, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনির। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনও তাঁদের মনোনয়নপত্রের নকল সংগ্রহ করেছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দায়ের করা যাবে এবং ১৮ জানুয়ারির মধ্যে কমিশন এসব আপিল নিষ্পত্তি করবে। এরপরই চূড়ান্ত হবে কারা এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের কারণে এই প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছিলেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির।
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেতে লড়াই শুরু করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার লক্ষ্যে পর্যন্ত ১৩ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্রের নকল সংগ্রহ করেছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিউজভিউ’র প্রতিবেদককে নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত যারা আপিলের প্রস্তুতি হিসেবে নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে রয়েছেন সিপিবির মনিরুজ্জামান চন্দন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দুলাল।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে নকল সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা হাবিবুল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আউয়াল ও মিনহাজুর রহমান। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেতে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সিপিবির ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির সেলিম আহমেদ, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনির। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনও তাঁদের মনোনয়নপত্রের নকল সংগ্রহ করেছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দায়ের করা যাবে এবং ১৮ জানুয়ারির মধ্যে কমিশন এসব আপিল নিষ্পত্তি করবে। এরপরই চূড়ান্ত হবে কারা এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের কারণে এই প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছিলেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির।
লোড হচ্ছে...