রাজনীতি
নির্বাচিত হলে ভিআইপি গিরি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে: অঞ্জন দাস
NewsView

নিউজভিউ
রাজনীতিতে জেঁকে বসা তথাকথিত ‘ভিআইপি সংস্কৃতি’ বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী অঞ্জন দাস। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ জিরো পয়েন্ট থেকে শিমরাইল পর্যন্ত আয়োজিত এক বিশাল গণমিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
অঞ্জন দাসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই গণমিছিলে শ্রমিক, গার্মেন্ট কর্মী ও মেহনতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। মিছিলটি যখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশ অতিক্রম করছিল, তখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শ্রমিক নিপীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় অঞ্জন দাস বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে তথাকথিত ভিআইপি গিরি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। জনপ্রতিনিধি মানে জনগণের চাকর, জনগণের ওপর বসে থাকা কোনো প্রভু নয়। আজ প্রশাসনে ও রাজনীতিতে ভিআইপি কালচার চালু আছে বলেই সাধারণ মানুষ অবহেলিত আর শ্রমিকরা নির্যাতিত হচ্ছে।”
তিনি নিজেকে লুটেরা গোষ্ঠীর বদলে খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধি দাবি করে বলেন, “আমি তাদের কণ্ঠস্বর যারা কারখানায় ঘাম ঝরায় কিন্তু বাজারে গিয়ে ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারে না। একটি সৎ, সাহসী এবং আপসহীন বিকল্প শক্তি চাইলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মাথাল মার্কায় ভোট দিন। সংসদে গেলে আমার প্রথম কাজ হবে এই ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।”
গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সভায় জানান, আগামী দিনগুলোতে তাঁরা প্রতিটি এলাকায় গণমিছিল ও গণসংযোগের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দেবেন। মিছিলে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি ও গণসংহতি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
রাজনীতিতে জেঁকে বসা তথাকথিত ‘ভিআইপি সংস্কৃতি’ বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী অঞ্জন দাস। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জ জিরো পয়েন্ট থেকে শিমরাইল পর্যন্ত আয়োজিত এক বিশাল গণমিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
অঞ্জন দাসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই গণমিছিলে শ্রমিক, গার্মেন্ট কর্মী ও মেহনতি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। মিছিলটি যখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশ অতিক্রম করছিল, তখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শ্রমিক নিপীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় অঞ্জন দাস বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে তথাকথিত ভিআইপি গিরি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। জনপ্রতিনিধি মানে জনগণের চাকর, জনগণের ওপর বসে থাকা কোনো প্রভু নয়। আজ প্রশাসনে ও রাজনীতিতে ভিআইপি কালচার চালু আছে বলেই সাধারণ মানুষ অবহেলিত আর শ্রমিকরা নির্যাতিত হচ্ছে।”
তিনি নিজেকে লুটেরা গোষ্ঠীর বদলে খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধি দাবি করে বলেন, “আমি তাদের কণ্ঠস্বর যারা কারখানায় ঘাম ঝরায় কিন্তু বাজারে গিয়ে ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারে না। একটি সৎ, সাহসী এবং আপসহীন বিকল্প শক্তি চাইলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মাথাল মার্কায় ভোট দিন। সংসদে গেলে আমার প্রথম কাজ হবে এই ভিআইপি সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।”
গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সভায় জানান, আগামী দিনগুলোতে তাঁরা প্রতিটি এলাকায় গণমিছিল ও গণসংযোগের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দেবেন। মিছিলে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি ও গণসংহতি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
লোড হচ্ছে...