আদালতআড়াইহাজার
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, দুই আসনের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা
NHP NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল বাতিল ও নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের দুই পরাজিত প্রার্থী। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ইলিয়াছ মোল্লা এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের ইকবাল হোসেন ভূইয়া পৃথকভাবে এই নির্বাচনি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলাগুলো গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপার ও সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সযত্নে সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ওই আসনগুলোতে বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছেন আদালত।
আদালতে দাখিল করা আবেদনে প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের দিন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা নিজেই ব্যালটে সিল মেরেছেন এবং অনেক কেন্দ্রে অস্বাভাবিকভাবে বিপুল পরিমাণ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধেও বিজয়ীদের পক্ষ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মামলার পর্যবেক্ষণে আদালত নির্বাচন কমিশন সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে অবিলম্বে এই আদেশ সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনকে অবহিত করা হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের এই বিশেষ একক বেঞ্চে নিয়মিতভাবে এসব আবেদনের শুনানি চলবে।
আইনজীবীরা জানান, আদালতে দাখিল করা দলিলাদি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মামলাকারী প্রার্থীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল বাতিল ও নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের দুই পরাজিত প্রার্থী। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ইলিয়াছ মোল্লা এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের ইকবাল হোসেন ভূইয়া পৃথকভাবে এই নির্বাচনি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলাগুলো গ্রহণ করে বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপার ও সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সযত্নে সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ওই আসনগুলোতে বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছেন আদালত।
আদালতে দাখিল করা আবেদনে প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের দিন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা নিজেই ব্যালটে সিল মেরেছেন এবং অনেক কেন্দ্রে অস্বাভাবিকভাবে বিপুল পরিমাণ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধেও বিজয়ীদের পক্ষ নেওয়ার সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মামলার পর্যবেক্ষণে আদালত নির্বাচন কমিশন সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে অবিলম্বে এই আদেশ সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনকে অবহিত করা হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের এই বিশেষ একক বেঞ্চে নিয়মিতভাবে এসব আবেদনের শুনানি চলবে।
আইনজীবীরা জানান, আদালতে দাখিল করা দলিলাদি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মামলাকারী প্রার্থীরা।
লোড হচ্ছে...