রাজনীতিসদর
কেউ কেউ আমার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে: মোহাম্মদ আলী
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বলেছেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আলীরটেক ইউনিয়নের গঞ্জকুমারিয়া শাহ আলী বাজারে এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনি প্রচারণাকালে কর্মীদের প্রতি আসা হুমকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি আলীরটেকের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শুনলাম, কেউ কেউ আমার ‘হাতী’ মার্কার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমি নিজে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘকাল জড়িত ছিলাম, আমি ভয় পাওয়ার লোক না। কারো চোখ রাঙানিতে আমি বা আমার কর্মীরা দমে যাব না। মনে রাখবেন, রাঙানির ওপরও রাঙানি রয়েছে।”
ভোটারদের উদ্দেশ্যে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে আমি আপনাদের সুখে-দুখে পাশে রয়েছি। ভবিষ্যতে আপনাদের সেবা করার সুযোগ চাই। আপনারা সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। আমার বিশ্বাস, এই এলাকা থেকে হাতী মার্কা সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, প্রতিটি ঘরেই তাঁর পরিচিত ও পছন্দের মানুষ রয়েছে, তাই কেউ তাঁকে ফিরিয়ে দেবে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
এদিন মোহাম্মদ আলী ডিক্রিরচর ঘাট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। এরপর পুরাতন গোগনগর, কুড়ের পাড় ও শাহ আলী বাজার হয়ে আলীরটেকের বিভিন্ন পথসভা শেষে মুক্তারকান্দি এলাকায় গিয়ে দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ত্রিধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান, রহমত উল্লাহ, আব্দুল হাকিম, মোহাম্মদ আলী, নোয়াব মোল্লা, আল আমিন ইকবাল ও আবুল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী বলেছেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসতে হবে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আলীরটেক ইউনিয়নের গঞ্জকুমারিয়া শাহ আলী বাজারে এক নির্বাচনি উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনি প্রচারণাকালে কর্মীদের প্রতি আসা হুমকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি আলীরটেকের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শুনলাম, কেউ কেউ আমার ‘হাতী’ মার্কার সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। আমি নিজে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘকাল জড়িত ছিলাম, আমি ভয় পাওয়ার লোক না। কারো চোখ রাঙানিতে আমি বা আমার কর্মীরা দমে যাব না। মনে রাখবেন, রাঙানির ওপরও রাঙানি রয়েছে।”
ভোটারদের উদ্দেশ্যে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে আমি আপনাদের সুখে-দুখে পাশে রয়েছি। ভবিষ্যতে আপনাদের সেবা করার সুযোগ চাই। আপনারা সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। আমার বিশ্বাস, এই এলাকা থেকে হাতী মার্কা সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে।” তিনি আরও যোগ করেন, প্রতিটি ঘরেই তাঁর পরিচিত ও পছন্দের মানুষ রয়েছে, তাই কেউ তাঁকে ফিরিয়ে দেবে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
এদিন মোহাম্মদ আলী ডিক্রিরচর ঘাট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। এরপর পুরাতন গোগনগর, কুড়ের পাড় ও শাহ আলী বাজার হয়ে আলীরটেকের বিভিন্ন পথসভা শেষে মুক্তারকান্দি এলাকায় গিয়ে দিনের কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ত্রিধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান, রহমত উল্লাহ, আব্দুল হাকিম, মোহাম্মদ আলী, নোয়াব মোল্লা, আল আমিন ইকবাল ও আবুল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
লোড হচ্ছে...