নারায়ণগঞ্জসদর
স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব: ডিসি
NHP NewsView

নিউজভিউ
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিশেষ সম্মাননা জ্ঞাপন করেছে জেলা পরিষদ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ঋণ স্বীকার এবং তাদের ত্যাগের মহিমা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই জেলা পরিষদ এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহসের কারণেই আমরা আজ একটি স্বাধীন দেশ ও প্রিয় জাতীয় পতাকা লাভ করেছি। স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ও বীরত্বের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করাকে তিনি সময়ের অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মামুন মাহমুদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বীর সন্তানদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং জেলা পরিষদের এমন সম্মাননা প্রদান কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা আমন্ত্রিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে একে একে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। সম্মাননা পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারাও তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিশেষ সম্মাননা জ্ঞাপন করেছে জেলা পরিষদ। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ঋণ স্বীকার এবং তাদের ত্যাগের মহিমা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই জেলা পরিষদ এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহসের কারণেই আমরা আজ একটি স্বাধীন দেশ ও প্রিয় জাতীয় পতাকা লাভ করেছি। স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস ও বীরত্বের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করাকে তিনি সময়ের অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মামুন মাহমুদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বীর সন্তানদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং জেলা পরিষদের এমন সম্মাননা প্রদান কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা আমন্ত্রিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে একে একে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। সম্মাননা পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারাও তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।
লোড হচ্ছে...