নারায়ণগঞ্জসদর
নারায়ণগঞ্জে ৫ মণ জাটকা জব্দ
NHP NewsView

নিউজভিউ
জাটকা সংরক্ষণে প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যেই নারায়ণগঞ্জে ধরা পড়েছে এক বিশাল চালান। পাচারকারীরা ধরা পড়ার ভয়ে তড়িঘড়ি করে সটকে পড়লেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া পাঁচ মণ জাটকা শেষ পর্যন্ত পাতে উঠেছে শহরের এতিমখানার শিশু ও সাধারণ দুস্থ মানুষের। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ৩ নম্বর মাছঘাট এলাকায় এ অভিযান চালায় সদর নৌপুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৌপুলিশের একটি দল বিকেলে ৩ নম্বর মাছঘাট এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেও ঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় ২০০ কেজি বা প্রায় ৫ মণ জাটকা ইলিশ। উদ্ধার করা এই বিপুল পরিমাণ মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩২ হাজার টাকা।
জাটকা জব্দ করার পর বিষয়টি দ্রুত মৎস্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়। পরে অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে মাছগুলো খাওয়ার উপযোগী হিসেবে বিবেচনা করে স্থানীয় এতিমখানা এবং দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। প্রশাসনের এই তৎপরতায় অন্তত কয়েকশ এতিম শিশুর মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর নৌপুলিশের ওসি রফিকুজ্জামানজানান, তারা গোপন খবরে জানতে পারেন ৩ নম্বর ঘাটে জাটকার একটি বড় চালান আনা হয়েছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ২০০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়েছে। মালিককে খুঁজে পাওয়া না যাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী মাছগুলো এতিমখানায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাটকা নিধন বন্ধে নৌপুলিশের এই চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জাটকা সংরক্ষণে প্রশাসনের কড়া নজরদারির মধ্যেই নারায়ণগঞ্জে ধরা পড়েছে এক বিশাল চালান। পাচারকারীরা ধরা পড়ার ভয়ে তড়িঘড়ি করে সটকে পড়লেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া পাঁচ মণ জাটকা শেষ পর্যন্ত পাতে উঠেছে শহরের এতিমখানার শিশু ও সাধারণ দুস্থ মানুষের। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ৩ নম্বর মাছঘাট এলাকায় এ অভিযান চালায় সদর নৌপুলিশ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৌপুলিশের একটি দল বিকেলে ৩ নম্বর মাছঘাট এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেও ঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় ২০০ কেজি বা প্রায় ৫ মণ জাটকা ইলিশ। উদ্ধার করা এই বিপুল পরিমাণ মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩২ হাজার টাকা।
জাটকা জব্দ করার পর বিষয়টি দ্রুত মৎস্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়। পরে অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে মাছগুলো খাওয়ার উপযোগী হিসেবে বিবেচনা করে স্থানীয় এতিমখানা এবং দরিদ্র মানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। প্রশাসনের এই তৎপরতায় অন্তত কয়েকশ এতিম শিশুর মুখে হাসির ঝিলিক দেখা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর নৌপুলিশের ওসি রফিকুজ্জামানজানান, তারা গোপন খবরে জানতে পারেন ৩ নম্বর ঘাটে জাটকার একটি বড় চালান আনা হয়েছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ২০০ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়েছে। মালিককে খুঁজে পাওয়া না যাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী মাছগুলো এতিমখানায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাটকা নিধন বন্ধে নৌপুলিশের এই চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
লোড হচ্ছে...