রাজনীতি
নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে ভোটের চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৪৭ জন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ের রণরেখা স্পষ্ট হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিন প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় এখন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে টিকে আছেন ৪৭ জন। আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক ভোটযুদ্ধ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রত্যাহার করলেন যারা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন— আ. কাইয়ুম শিকদার (নারায়ণগঞ্জ-১), মো. আবুল কালাম দুলাল (নারায়ণগঞ্জ-২) এবং ইলিয়াস আহমেদ (নারায়ণগঞ্জ-৪)। তারা তিনজনই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ছিলেন।
আসনভিত্তিক প্রার্থীদের পরিসংখ্যান: রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে সবথেকে বেশি ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ৬ জন প্রার্থী লড়ছেন নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে।
নারায়ণগঞ্জ-১: চূড়ান্ত প্রার্থী ৭ জন। এখানে বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন সাবেক যুবদল নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দুলাল। এছাড়া জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয়।
নারায়ণগঞ্জ-২: এই আসনে প্রার্থী ৬ জন। বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদের সঙ্গে মূল লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছেন সাবেক এমপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আঙ্গুর।
নারায়ণগঞ্জ-৩: এখানে প্রার্থী ১১ জন। বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপরীতে স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে আছেন সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। এই দুই হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থীর কারণে এখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা।
নারায়ণগঞ্জ-৪: জেলার সবথেকে বড় এই আসনে লড়ছেন ১৩ জন। বিএনপি জোটের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমীর বিপরীতে স্বতন্ত্র হিসেবে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন সাবেক দুই এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী এবং বিএনপি নেতা মো. শাহ আলম।
নারায়ণগঞ্জ-৫: ১০ জন প্রার্থী এখানে লড়ছেন। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন সাবেক জাতীয় পার্টি নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন। এ ছাড়াও এ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট ও ইসলামী আন্দোলনের বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেন, "বুধবার সকালে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচারণায় নামতে পারবেন। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও ম্যাজিস্ট্রেটরা কঠোর নজরদারি করবেন।"
নারায়ণগঞ্জের এই ৫টি আসনেই এবার বিএনপির মূল প্রার্থীর পাশাপাশি দলের সাবেক প্রভাবশালী নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়ে যাওয়ায় ভোটের হিসাব-নিকাশ বেশ জটিল হয়ে উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ের রণরেখা স্পষ্ট হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিন প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় এখন চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে টিকে আছেন ৪৭ জন। আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে, যার মাধ্যমেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক ভোটযুদ্ধ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রত্যাহার করলেন যারা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন— আ. কাইয়ুম শিকদার (নারায়ণগঞ্জ-১), মো. আবুল কালাম দুলাল (নারায়ণগঞ্জ-২) এবং ইলিয়াস আহমেদ (নারায়ণগঞ্জ-৪)। তারা তিনজনই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ছিলেন।
আসনভিত্তিক প্রার্থীদের পরিসংখ্যান: রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে সবথেকে বেশি ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ৬ জন প্রার্থী লড়ছেন নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে।
নারায়ণগঞ্জ-১: চূড়ান্ত প্রার্থী ৭ জন। এখানে বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন সাবেক যুবদল নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দুলাল। এছাড়া জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয়।
নারায়ণগঞ্জ-২: এই আসনে প্রার্থী ৬ জন। বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদের সঙ্গে মূল লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছেন সাবেক এমপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আঙ্গুর।
নারায়ণগঞ্জ-৩: এখানে প্রার্থী ১১ জন। বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিপরীতে স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে আছেন সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। এই দুই হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থীর কারণে এখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা।
নারায়ণগঞ্জ-৪: জেলার সবথেকে বড় এই আসনে লড়ছেন ১৩ জন। বিএনপি জোটের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমীর বিপরীতে স্বতন্ত্র হিসেবে শক্তিশালী অবস্থানে আছেন সাবেক দুই এমপি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মোহাম্মদ আলী এবং বিএনপি নেতা মো. শাহ আলম।
নারায়ণগঞ্জ-৫: ১০ জন প্রার্থী এখানে লড়ছেন। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন সাবেক জাতীয় পার্টি নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন। এ ছাড়াও এ আসনে ইসলামী ফ্রন্ট ও ইসলামী আন্দোলনের বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির বলেন, "বুধবার সকালে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচারণায় নামতে পারবেন। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও ম্যাজিস্ট্রেটরা কঠোর নজরদারি করবেন।"
নারায়ণগঞ্জের এই ৫টি আসনেই এবার বিএনপির মূল প্রার্থীর পাশাপাশি দলের সাবেক প্রভাবশালী নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়ে যাওয়ায় ভোটের হিসাব-নিকাশ বেশ জটিল হয়ে উঠেছে।
লোড হচ্ছে...