নারায়ণগঞ্জসদর
দেশের ভবিষ্যৎ কাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিবেন: নুরুল হক নুর
NewsView

“আমরা যেই রক্ত ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে দিয়েছি আর কোনো রক্ত আমরা দিতে চাই না। সেই চেতনায় বাংলাদেশকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করতে হবে।”— এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গত ৫০ বছরে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে যে রক্ত দেওয়া হয়েছে, তার প্রকৃত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি, কিন্তু এবারের রক্ত তিনি বৃথা যেতে দেবেন না।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ যুব অধিকার পরিষদের আয়োজিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক সমাবেশ’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জোটের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে নুরুল হক নুর বলেন, তারা কেবল সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়া দলের সঙ্গেই জোট করবেন।
"আমরা এখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করিনি। আগামীতে আমরা যাদের সঙ্গে জোট করব—তারা সমাজ এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে দেশের পরিবর্তনের প্রশ্নে তাদের অবস্থান কী, রাষ্ট্র সংস্কার, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা কী অবস্থান নেবে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব আমরা কোনো দলের সঙ্গে জোট করব কি না।"
তিনি জনগণকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন হলে একটি সরকার পাঁচ বছরের জন্য স্থায়ী হয়ে যায়, তাই আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের ভবিষ্যৎ কাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের শিল্প এলাকার চাঁদাবাজি নিয়েও তিনি কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, "এই এলাকার বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে শামীম ওসমান ও তার লোকজন চাঁদা আদায় করত। তারা চলে গেলেও এই সব প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা এখনো বন্ধ হয়নি, কারা এখন চাঁদা নিচ্ছে।"
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ যুব অধিকার পরিষদের আয়োজিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক সমাবেশ’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জোটের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে নুরুল হক নুর বলেন, তারা কেবল সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে পরিষ্কার অবস্থান নেওয়া দলের সঙ্গেই জোট করবেন।
"আমরা এখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করিনি। আগামীতে আমরা যাদের সঙ্গে জোট করব—তারা সমাজ এবং রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে দেশের পরিবর্তনের প্রশ্নে তাদের অবস্থান কী, রাষ্ট্র সংস্কার, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা কী অবস্থান নেবে—এসব বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব আমরা কোনো দলের সঙ্গে জোট করব কি না।"
তিনি জনগণকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন হলে একটি সরকার পাঁচ বছরের জন্য স্থায়ী হয়ে যায়, তাই আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের ভবিষ্যৎ কাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের শিল্প এলাকার চাঁদাবাজি নিয়েও তিনি কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, "এই এলাকার বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে শামীম ওসমান ও তার লোকজন চাঁদা আদায় করত। তারা চলে গেলেও এই সব প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা এখনো বন্ধ হয়নি, কারা এখন চাঁদা নিচ্ছে।"
লোড হচ্ছে...