আন্তর্জাতিক
পারমাণবিক বোমার চেয়েও কার্যকর অস্ত্র পেয়েছে ইরান!
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ‘হরমুজ প্রণালি’কে ব্যবহার করে বিশ্ব অর্থনীতিকে এক নজিরবিহীন সংকটে ফেলেছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি এখন তেহরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক ‘কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস’-এর বিশ্লেষকদের মতে, ইরান আবিষ্কার করেছে যে পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের জন্য বেশি কার্যকর কৌশল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইরানকে এই জলপথ খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় ইরানকে ‘নরক’ দেখার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি। অথচ কয়েকদিন আগেও ট্রাম্প আশাবাদী সুর বজায় রেখে বলেছিলেন যে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে শীঘ্রই প্রণালিটি মুক্ত হবে। কিন্তু বাস্তবে মার্কিন সামরিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় হোয়াইট হাউজ এখন অনেকটা দিশেহারা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রণালিটি মুক্ত না করেই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার কথা বিবেচনা করছে।
বিশ্লেষক করিম সাজাদপুর ও মারওয়ান মুয়াশার জানিয়েছেন, ইরান এখন হরমুজ প্রণালিকে তাদের নিজস্ব ‘পানামা খাল’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটি ইতিমধ্যে প্রতিটি ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত টোল আদায় শুরু করেছে, যা থেকে দৈনিক কোটি কোটি ডলার আয় হচ্ছে। এছাড়া তেহরান একটি নতুন পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিপরীতে, চীন ও রাশিয়ার মতো বন্ধু দেশগুলোকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের আধিপত্যকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত কুপার ৪১টি দেশের এক বৈঠকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইরান একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ দখল করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করেছে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত ২৫টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং প্রায় দুই হাজার জাহাজে ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে প্রায় দুই কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়, যা বন্ধ থাকলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হবে।
কার্নেগির গবেষকদের মতে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান খুব দ্রুত তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন প্রোগ্রাম পুনরায় গুছিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। মারওয়ান মুয়াশার সতর্ক করে বলেন, আরব দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে পারছে না। যদি ট্রাম্প প্রণালিটি মুক্ত না করেই পিছু হটেন, তবে অন্য কোনো শক্তির পক্ষে এটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরে ইরানের একচ্ছত্র আধিপত্য বিশ্বব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পারমাণবিক বোমার চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ‘হরমুজ প্রণালি’কে ব্যবহার করে বিশ্ব অর্থনীতিকে এক নজিরবিহীন সংকটে ফেলেছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি এখন তেহরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক ‘কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস’-এর বিশ্লেষকদের মতে, ইরান আবিষ্কার করেছে যে পারমাণবিক অস্ত্রের চেয়েও এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের জন্য বেশি কার্যকর কৌশল হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অত্যন্ত কড়া ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ইরানকে এই জলপথ খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় ইরানকে ‘নরক’ দেখার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি। অথচ কয়েকদিন আগেও ট্রাম্প আশাবাদী সুর বজায় রেখে বলেছিলেন যে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র মাধ্যমে শীঘ্রই প্রণালিটি মুক্ত হবে। কিন্তু বাস্তবে মার্কিন সামরিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় হোয়াইট হাউজ এখন অনেকটা দিশেহারা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, প্রণালিটি মুক্ত না করেই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার কথা বিবেচনা করছে।
বিশ্লেষক করিম সাজাদপুর ও মারওয়ান মুয়াশার জানিয়েছেন, ইরান এখন হরমুজ প্রণালিকে তাদের নিজস্ব ‘পানামা খাল’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশটি ইতিমধ্যে প্রতিটি ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত টোল আদায় শুরু করেছে, যা থেকে দৈনিক কোটি কোটি ডলার আয় হচ্ছে। এছাড়া তেহরান একটি নতুন পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিপরীতে, চীন ও রাশিয়ার মতো বন্ধু দেশগুলোকে বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের আধিপত্যকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত কুপার ৪১টি দেশের এক বৈঠকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইরান একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ দখল করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করেছে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত ২৫টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে এবং প্রায় দুই হাজার জাহাজে ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়েছেন। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে প্রায় দুই কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়, যা বন্ধ থাকলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হবে।
কার্নেগির গবেষকদের মতে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও ইরান খুব দ্রুত তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন প্রোগ্রাম পুনরায় গুছিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখে। মারওয়ান মুয়াশার সতর্ক করে বলেন, আরব দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে পারছে না। যদি ট্রাম্প প্রণালিটি মুক্ত না করেই পিছু হটেন, তবে অন্য কোনো শক্তির পক্ষে এটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরে ইরানের একচ্ছত্র আধিপত্য বিশ্বব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...