নারায়ণগঞ্জ
২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৩৪ জন শনাক্ত, সংক্রমণ প্রায় দ্বিগুণ
NewsView

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু জ্বরের তাণ্ডব এখন জনস্বাস্থ্যে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বর্ষা বিদায় নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যর্থ হওয়ায় উদ্বেগ এখন চরমে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর অনিয়ন্ত্রিত এই দাপটে জেলাবাসী কার্যত দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার, ৮ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ৩৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যা পূর্ববর্তী দিনের (১৭ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ১৯৪৯ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ২০১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো নতুন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাদের মতে, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ ১ হাজার ৮৬৫ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার, ৮ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ৩৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যা পূর্ববর্তী দিনের (১৭ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ১৯৪৯ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ২০১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো নতুন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাদের মতে, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ ১ হাজার ৮৬৫ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক।
লোড হচ্ছে...