নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
এটিএম কামালের পিতা-মাতার স্মরণসভা
অন্ধকার তাড়ানো কারিগরদের ভুললে চলবে না: রফিউর রাব্বি
NewsView

নিউজভিউ
সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নে নারী শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত রিবর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার এক আবেগঘন পরিবেশে স্মরণ করা হয়েছে দুই মহীয়ান শিক্ষককে। বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম আবু তাহের মাস্টার এবং নারী নেত্রী মরহুমা শাহানা খানম চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে আয়োজিত এই সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের শহীদ মিনারে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি এই বিদ্যাপীঠের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ থেকে ১১০ বছর আগে একটি নিভৃত পল্লীতে মেয়েদের জন্য এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ছিল অকল্পনীয় এক সাহসিকতার পরিচয়। সে সময়ে শিক্ষার আলো বঞ্চিত এই জনপদে যারা জ্ঞান বিতরণের কাজ শুরু করেছিলেন, তারা বর্তমান প্রজন্মের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এটিএম কামালের বাবা ও মা উভয়েই এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে এই অঞ্চলে শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করেছিলেন।
আলোচনায় উঠে আসে এই শিক্ষক দম্পতির দেশপ্রেমের কথা। বক্তারা স্মৃতিচারণ করে বলেন, আবু তাহের মাস্টার ও শাহানা খানম চৌধুরী শুধু শিক্ষকতার মহান পেশায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেননি, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তারা এই অঞ্চলে অত্যন্ত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁদের বড় ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল তাঁর বক্তব্যে বাবা-মায়ের কর্মময় জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করার আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাকসুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় আরও অংশ নেন জেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, জেলা খেলাঘরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাবু এবং শিক্ষানুরাগী দেওয়ান ফজলুর রহমানসহ অনেকে। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নে নারী শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত রিবর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার এক আবেগঘন পরিবেশে স্মরণ করা হয়েছে দুই মহীয়ান শিক্ষককে। বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম আবু তাহের মাস্টার এবং নারী নেত্রী মরহুমা শাহানা খানম চৌধুরীর স্মৃতি রক্ষার্থে আয়োজিত এই সভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের শহীদ মিনারে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি এই বিদ্যাপীঠের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ থেকে ১১০ বছর আগে একটি নিভৃত পল্লীতে মেয়েদের জন্য এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা ছিল অকল্পনীয় এক সাহসিকতার পরিচয়। সে সময়ে শিক্ষার আলো বঞ্চিত এই জনপদে যারা জ্ঞান বিতরণের কাজ শুরু করেছিলেন, তারা বর্তমান প্রজন্মের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এটিএম কামালের বাবা ও মা উভয়েই এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে এই অঞ্চলে শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করেছিলেন।
আলোচনায় উঠে আসে এই শিক্ষক দম্পতির দেশপ্রেমের কথা। বক্তারা স্মৃতিচারণ করে বলেন, আবু তাহের মাস্টার ও শাহানা খানম চৌধুরী শুধু শিক্ষকতার মহান পেশায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেননি, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তারা এই অঞ্চলে অত্যন্ত সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁদের বড় ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল তাঁর বক্তব্যে বাবা-মায়ের কর্মময় জীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করার আহ্বান জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাকসুদা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় আরও অংশ নেন জেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, জেলা খেলাঘরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাবু এবং শিক্ষানুরাগী দেওয়ান ফজলুর রহমানসহ অনেকে। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
লোড হচ্ছে...