সারা দেশ
পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে শিশুকে হত্যা
NewsView4

নিউজভিউ ডেস্ক
নরসিংদীর পলাশে এক অটোরিকশার গ্যারেজে পাম্পারের সাহায্যে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে রামিম মিয়া (৯) নামের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত রামিম গজারিয়া বাজারসংলগ্ন চরকারারদী এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, রামিম মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল। দিনের বেশির ভাগ সময়ই সে গজারিয়া বাজারের বিভিন্ন দোকানে সময় কাটাত।
স্থানীয় সুত্র জানায়, গতকাল সকালে রামিম বাজারে তাঁর দাদা আমজাদ হোসেনের দোকানে আসে। সে দোকানের বিপরীতে ফয়সাল মিয়ার গ্যারেজে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে গিয়ে একই গ্রামের প্রতিবেশী রিকশাচালক সবুজ মিয়া, ফয়সাল মিয়া ও এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর সঙ্গে ঠাট্টা-রসিকতা করছিল। এ সময় দুষ্টুমির ছলে ওই তিনজন পাম্পারের সাহায্যে তার পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেন। এতে তাঁর পেট ফুলে গেলে সে চিৎকার শুরু করে।
আশপাশের লোকজন ও স্বজনেরা রামিমকে নরসিংদীর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা পর তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মৃত্যু হয় রামিমের। রাতেই লাশ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নরসিংদীর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ এন এম মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটির পায়ুপথে উচ্চগতির বাতাস প্রবেশ করানো হয়েছিল। এতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে। শ্বাসকষ্ট ও প্রচণ্ড পেটব্যথায় ভুগছিল সে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন বলেন, এ হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক। দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ছেলের এমন মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে পরিবারে। হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন রামিমের বাবা রিপন মিয়া।
নিহত রামিম গজারিয়া বাজারসংলগ্ন চরকারারদী এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, রামিম মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল। দিনের বেশির ভাগ সময়ই সে গজারিয়া বাজারের বিভিন্ন দোকানে সময় কাটাত।
স্থানীয় সুত্র জানায়, গতকাল সকালে রামিম বাজারে তাঁর দাদা আমজাদ হোসেনের দোকানে আসে। সে দোকানের বিপরীতে ফয়সাল মিয়ার গ্যারেজে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে গিয়ে একই গ্রামের প্রতিবেশী রিকশাচালক সবুজ মিয়া, ফয়সাল মিয়া ও এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর সঙ্গে ঠাট্টা-রসিকতা করছিল। এ সময় দুষ্টুমির ছলে ওই তিনজন পাম্পারের সাহায্যে তার পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেন। এতে তাঁর পেট ফুলে গেলে সে চিৎকার শুরু করে।
আশপাশের লোকজন ও স্বজনেরা রামিমকে নরসিংদীর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা পর তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মৃত্যু হয় রামিমের। রাতেই লাশ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নরসিংদীর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এ এন এম মিজানুর রহমান বলেন, শিশুটির পায়ুপথে উচ্চগতির বাতাস প্রবেশ করানো হয়েছিল। এতে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়ে থাকতে পারে। শ্বাসকষ্ট ও প্রচণ্ড পেটব্যথায় ভুগছিল সে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন বলেন, এ হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক। দ্রুত তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হবে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ছেলের এমন মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে পরিবারে। হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন রামিমের বাবা রিপন মিয়া।
লোড হচ্ছে...