রাজনীতি
পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চমানের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতার ইঙ্গিত
ইন্দো-প্যাসিফিকে যৌথ অঙ্গীকার, তারেক রহমানকে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা
NewsView4

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।তিনি লেখেন,
“আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার সফল মেয়াদ কামনা করছি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন,
আমাদের দুই দেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার যৌথ স্বার্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহ সমৃদ্ধ হতে পারে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি লেখেন,
আপনি যখন আপনার দায়িত্বকাল শুরু করছেন, আমি আশা করি আপনি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্কের অসাধারণ গতি বজায় রাখতে আমাকে সহায়তা করবেন ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে, যা আমাদের উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের উপকারে আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে বলেন,“আমি আরও আশা করি আপনি নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন, যা অবশেষে আপনার সামরিক বাহিনীকে উন্নতমানের, আমেরিকায় তৈরি সামরিক সরঞ্জাম যা বিশ্বের সেরা আমেরিকা তা ব্যবহারের সুযোগ দেবে।”ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততা নিয়ে আস্থা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন,যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।তিনি আরও যোগ করেন,বাংলাদেশে আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আমার পূর্ণ আস্থা ভোগ করেন। একসঙ্গে আমরা আমাদের দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ পেয়েছি।” বার্তার শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন,
“আগামীর দিনগুলোর জন্য আপনাকে শুভকামনা!”
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।তিনি লেখেন,
“আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার সফল মেয়াদ কামনা করছি। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন,
আমাদের দুই দেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার যৌথ স্বার্থের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহ সমৃদ্ধ হতে পারে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে তিনি লেখেন,
আপনি যখন আপনার দায়িত্বকাল শুরু করছেন, আমি আশা করি আপনি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য সম্পর্কের অসাধারণ গতি বজায় রাখতে আমাকে সহায়তা করবেন ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে, যা আমাদের উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের উপকারে আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে বলেন,“আমি আরও আশা করি আপনি নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন, যা অবশেষে আপনার সামরিক বাহিনীকে উন্নতমানের, আমেরিকায় তৈরি সামরিক সরঞ্জাম যা বিশ্বের সেরা আমেরিকা তা ব্যবহারের সুযোগ দেবে।”ভবিষ্যৎ সম্পৃক্ততা নিয়ে আস্থা প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন,যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।তিনি আরও যোগ করেন,বাংলাদেশে আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আমার পূর্ণ আস্থা ভোগ করেন। একসঙ্গে আমরা আমাদের দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ পেয়েছি।” বার্তার শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন,
“আগামীর দিনগুলোর জন্য আপনাকে শুভকামনা!”
লোড হচ্ছে...