রাজনীতিসদর
৪৮ ঘণ্টায় নারায়ণগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন
NewsView

নিউজভিউ
গত ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে বড় ধরনের এক সাংগঠনিক পরিবর্তনের সাক্ষী হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির রাজনীতি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে একদিকে যেমন দুইজন প্রভাবশালী নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, তেমনি দীর্ঘদিনের পরিচিত আরও দুইজন সিনিয়র নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই রদবদল নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর ওপর থাকা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের পুনরায় প্রাথমিক সদস্য পদে পুনর্বহাল করা হয়। এর মাধ্যমে তারা আবারও দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেলেন।
অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহ আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জেলার রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই নেতার হঠাৎ প্রস্থান নেতাকর্মীদের মাঝে বড় ধরনের কৌতূহল ও বিস্ময় তৈরি করেছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, জেলা ও থানা পর্যায়ের রাজনীতিতে এটি একটি বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস। রিয়াদ ও সেন্টুর ফিরে আসাকে তাদের অনুসারীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, গিয়াস উদ্দিন ও শাহ আলমের মতো অভিজ্ঞ নেতাদের বাদ পড়ার বিষয়টি রাজনীতির মাঠে নতুন হিসাব-নিকাশের জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ চেইন অফ কমান্ড শক্তিশালী করতে এবং নতুন করে জেলা ইউনিটকে সাজাতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তনগুলো ভবিষ্যতে দলটির সাংগঠনিক কাঠামো এবং কার্যক্রমকে কীভাবে প্রভাবিত করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
গত ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে বড় ধরনের এক সাংগঠনিক পরিবর্তনের সাক্ষী হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির রাজনীতি। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে একদিকে যেমন দুইজন প্রভাবশালী নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে, তেমনি দীর্ঘদিনের পরিচিত আরও দুইজন সিনিয়র নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই রদবদল নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর ওপর থাকা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের পুনরায় প্রাথমিক সদস্য পদে পুনর্বহাল করা হয়। এর মাধ্যমে তারা আবারও দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেলেন।
অন্যদিকে, প্রায় একই সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহ আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে জেলার রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই নেতার হঠাৎ প্রস্থান নেতাকর্মীদের মাঝে বড় ধরনের কৌতূহল ও বিস্ময় তৈরি করেছে।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, জেলা ও থানা পর্যায়ের রাজনীতিতে এটি একটি বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস। রিয়াদ ও সেন্টুর ফিরে আসাকে তাদের অনুসারীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, গিয়াস উদ্দিন ও শাহ আলমের মতো অভিজ্ঞ নেতাদের বাদ পড়ার বিষয়টি রাজনীতির মাঠে নতুন হিসাব-নিকাশের জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলের অভ্যন্তরীণ চেইন অফ কমান্ড শক্তিশালী করতে এবং নতুন করে জেলা ইউনিটকে সাজাতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তনগুলো ভবিষ্যতে দলটির সাংগঠনিক কাঠামো এবং কার্যক্রমকে কীভাবে প্রভাবিত করে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
লোড হচ্ছে...