নারায়ণগঞ্জ
জালকুড়ি ওভারপাসে দুর্ঘটনা, ৬ বছরের শিশু নিহত
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি ওভারপাসে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা উল্টে সিনথিয়া রহমান হুমাইয়া (৬) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা-মা, ছোট ভাই এবং অটোরিকশাচালক আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২০ জুন) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সিনথিয়াকে দ্রুত প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত বাবা আশিকুর রহমান শামীম (৩৪), মা সানজিদা বেগম (৩০), ছোট ভাই আয়মান রহমান (৩) ও অটোরিকশাচালককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রাইভেট কারের চালক আশোয়ত বিন ইকবাল (১৯) ও তার সঙ্গে থাকা সাহিল খান (২৩)কে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাইভেট কারের ধাক্কায় অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ ঘটনায় এক শিশু নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেট কার ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া প্রাইভেট কারটির ভেতর থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্রটি কীভাবে গাড়িতে এলো এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত
শুক্রবার (২০ জুন) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সিনথিয়াকে দ্রুত প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত বাবা আশিকুর রহমান শামীম (৩৪), মা সানজিদা বেগম (৩০), ছোট ভাই আয়মান রহমান (৩) ও অটোরিকশাচালককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রাইভেট কারের চালক আশোয়ত বিন ইকবাল (১৯) ও তার সঙ্গে থাকা সাহিল খান (২৩)কে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাইভেট কারের ধাক্কায় অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ ঘটনায় এক শিশু নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত প্রাইভেট কার ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া প্রাইভেট কারটির ভেতর থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্রটি কীভাবে গাড়িতে এলো এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত
লোড হচ্ছে...