নারায়ণগঞ্জ
পাল্টে যাচ্ছে রামবাবুর পুকুরপাড়
মডেল এলাকা হবে উত্তর চাষাঢ়া: সিটি প্রশাসক
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ শহরের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা উত্তর চাষাড়ার রামবাবুর পুকুরপাড়। দীর্ঘদিন ধরে নানা নাগরিক সমস্যায় জর্জরিত এই এলাকাটি এবার পেতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন এক রূপ। ঘিঞ্জি পরিবেশ আর ভাঙাচোরা রাস্তার দিন শেষ করে পুরো এলাকাটিকে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ‘মডেল জোন’ হিসেবে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও মসজিদ কমিটির যৌথ আমন্ত্রণে এলাকাটি পরিদর্শনে এসে তিনি এই মেগা পরিকল্পনার কথা জানান। খোলামেলা কথা বলেন পঞ্চায়েত ও স্থানীয়দের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে আসে এলাকার বাসিন্দাদের নিত্যদিনের ভোগান্তি, জলাবদ্ধতা ও সরু রাস্তার কারণে তৈরি হওয়া যানজটের চিত্র। বদলে যাবে যে ৫টি চিত্র:
১. জিয়া হল টু পুকুরপাড় রোড: বর্তমানের সংকীর্ণ সড়কটি প্রশস্ত করে নতুনভাবে কার্পেটিং করা হবে।
২. লেকভিউ বা পুকুরপাড় সংস্কার: রামবাবুর পুকুরপাড়ের ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
৩. গ্রিন সিটি প্রজেক্ট: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুরো এলাকায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ করা হবে।
৪. নান্দনিক লাইটিং: পুরোনো ও অকেজো ল্যাম্পপোস্ট বদলে বসানো হবে আধুনিক ও উজ্জ্বল বাতি।
৫. সামগ্রিক সৌন্দর্যবর্ধন: আধুনিক শহুরে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে পুরো এলাকার দৃশ্যপট বদলে দেওয়া হবে।
টিম নিয়ে 'স্পট ভিজিট' ও তাৎক্ষণিক নির্দেশএই বিশেষ মতবিনিময় সভায় স্থানীয়দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত ও মসজিদ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক কামরান হোসেন আবুল, সহ-সভাপতি মিজান, নিট ওডুনা অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি আবুল বাশারসহ নূরুল হুদা, সনেট সিনহা, সেন্টু খান এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।শুধু আলোচনার টেবিল বা বক্তৃতার মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না নাসিক প্রশাসক।
১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ পুরো টেকনিক্যাল টিমকে সাথে নিয়ে তিনি রামবাবুর পুকুরপাড়ের অলিগলি ঘুরে দেখেন। এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করার জন্য কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও মসজিদ কমিটির যৌথ আমন্ত্রণে এলাকাটি পরিদর্শনে এসে তিনি এই মেগা পরিকল্পনার কথা জানান। খোলামেলা কথা বলেন পঞ্চায়েত ও স্থানীয়দের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে আসে এলাকার বাসিন্দাদের নিত্যদিনের ভোগান্তি, জলাবদ্ধতা ও সরু রাস্তার কারণে তৈরি হওয়া যানজটের চিত্র। বদলে যাবে যে ৫টি চিত্র:
১. জিয়া হল টু পুকুরপাড় রোড: বর্তমানের সংকীর্ণ সড়কটি প্রশস্ত করে নতুনভাবে কার্পেটিং করা হবে।
২. লেকভিউ বা পুকুরপাড় সংস্কার: রামবাবুর পুকুরপাড়ের ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
৩. গ্রিন সিটি প্রজেক্ট: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুরো এলাকায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ করা হবে।
৪. নান্দনিক লাইটিং: পুরোনো ও অকেজো ল্যাম্পপোস্ট বদলে বসানো হবে আধুনিক ও উজ্জ্বল বাতি।
৫. সামগ্রিক সৌন্দর্যবর্ধন: আধুনিক শহুরে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে পুরো এলাকার দৃশ্যপট বদলে দেওয়া হবে।
টিম নিয়ে 'স্পট ভিজিট' ও তাৎক্ষণিক নির্দেশএই বিশেষ মতবিনিময় সভায় স্থানীয়দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত ও মসজিদ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক কামরান হোসেন আবুল, সহ-সভাপতি মিজান, নিট ওডুনা অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি আবুল বাশারসহ নূরুল হুদা, সনেট সিনহা, সেন্টু খান এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।শুধু আলোচনার টেবিল বা বক্তৃতার মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না নাসিক প্রশাসক।
১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু এবং সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ পুরো টেকনিক্যাল টিমকে সাথে নিয়ে তিনি রামবাবুর পুকুরপাড়ের অলিগলি ঘুরে দেখেন। এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করার জন্য কর্মকর্তাদের কড়া নির্দেশ দেন।
লোড হচ্ছে...