আন্তর্জাতিক
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘একতরফা শুল্ক’ অবৈধ: মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
একতরফাভাবে বিশ্বজুড়ে জরুরি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি পরাজয় ঘটল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত এই শুল্ককে ‘অবৈধ’ বলে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ট্রাম্পের পররাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক এজেন্ডার মূলে থাকা এই শুল্কনীতিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করায় একে বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৬–৩ ভোটে দেওয়া এই ঐতিহাসিক রায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির পক্ষে মতামত লেখেন প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট যে আইনের (আইইইপিএ) ভিত্তিতে এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা তাকে এমন অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করে না।
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন, “প্রেসিডেন্ট অসীম পরিমাণ, সময়সীমা ও পরিসরে একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের যে ক্ষমতা দাবি করছেন, তা প্রয়োগ করতে হলে কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন প্রয়োজন।” আদালত মনে করেন, ১৯৭০-এর দশকের যে জরুরি আইনের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন নির্ভর করেছিল, তা শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ‘অপর্যপ্ত’।
মামলাকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট আইনে ‘শুল্ক’ (ট্যারিফ) শব্দের উল্লেখ নেই। সুপ্রিম কোর্ট ব্যবসায়ীদের এই যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস ও বর্ডার প্রোটেকশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ৩ লাখেরও বেশি আমদানিকারকের কাছ থেকে প্রায় ১৩৪ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আদায় করা হয়েছে। এই বিপুল অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা দেননি; যা নিম্ন আদালতে নিষ্পত্তির জন্য পাঠিয়েছেন।
ভিন্নমত পোষণকারী বিচারপতি কাভানাহ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সংগৃহীত অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এই মামলার মাধ্যমে চীন, মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আমদানির ওপর ট্রাম্পের তথাকথিত ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট আবারও নিশ্চিত করলেন যে, কংগ্রেসের তত্ত্বাবধান ছাড়া কার্যত কর আরোপের ক্ষমতা দাবি করা যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী। এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্যে ট্রাম্পের প্রভাব খাটানোর পথটি আইনিভাবে বাধাগ্রস্ত হলো। সূত্র: সিএনএন
একতরফাভাবে বিশ্বজুড়ে জরুরি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আইনি পরাজয় ঘটল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত এই শুল্ককে ‘অবৈধ’ বলে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ট্রাম্পের পররাষ্ট্র ও অর্থনৈতিক এজেন্ডার মূলে থাকা এই শুল্কনীতিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করায় একে বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৬–৩ ভোটে দেওয়া এই ঐতিহাসিক রায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির পক্ষে মতামত লেখেন প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট যে আইনের (আইইইপিএ) ভিত্তিতে এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা তাকে এমন অসাধারণ ক্ষমতা প্রদান করে না।
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়ে উল্লেখ করেন, “প্রেসিডেন্ট অসীম পরিমাণ, সময়সীমা ও পরিসরে একতরফাভাবে শুল্ক আরোপের যে ক্ষমতা দাবি করছেন, তা প্রয়োগ করতে হলে কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন প্রয়োজন।” আদালত মনে করেন, ১৯৭০-এর দশকের যে জরুরি আইনের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন নির্ভর করেছিল, তা শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে ‘অপর্যপ্ত’।
মামলাকারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট আইনে ‘শুল্ক’ (ট্যারিফ) শব্দের উল্লেখ নেই। সুপ্রিম কোর্ট ব্যবসায়ীদের এই যুক্তির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র কাস্টমস ও বর্ডার প্রোটেকশনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ৩ লাখেরও বেশি আমদানিকারকের কাছ থেকে প্রায় ১৩৪ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আদায় করা হয়েছে। এই বিপুল অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা দেননি; যা নিম্ন আদালতে নিষ্পত্তির জন্য পাঠিয়েছেন।
ভিন্নমত পোষণকারী বিচারপতি কাভানাহ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সংগৃহীত অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ভবিষ্যতে আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এই মামলার মাধ্যমে চীন, মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আমদানির ওপর ট্রাম্পের তথাকথিত ‘লিবারেশন ডে’ শুল্কের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এই রায়ের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট আবারও নিশ্চিত করলেন যে, কংগ্রেসের তত্ত্বাবধান ছাড়া কার্যত কর আরোপের ক্ষমতা দাবি করা যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী। এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্যে ট্রাম্পের প্রভাব খাটানোর পথটি আইনিভাবে বাধাগ্রস্ত হলো। সূত্র: সিএনএন
লোড হচ্ছে...