জাতীয়
ধর্ষককে গ্রেপ্তারে আল্টিমেটাম পার, থানা ফটক ভেঙে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
NHP NewsView

নিউজভিউ
স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে না পারায় সোমবার (২০ এপ্রিল) দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। এদিন বিক্ষোভকারীদের চাপে থানার প্রধান ফটক ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটে।
সকাল থেকেই হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও খাদিজা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানা চত্বরে পৌঁছালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা একযোগে থানায় প্রবেশের চেষ্টা করলে হুড়োহুড়িতে প্রধান ফটকটি ভেঙে নিচে পড়ে যায়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত রবিবার বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ধর্ষক আশিককে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
থানার গেট ভেঙে পড়ার বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, শিক্ষার্থীরা পরিকল্পিতভাবে গেট ভাঙেনি; বরং একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে ভেতরে ঢুকতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, “আসামি গ্রেপ্তারের জন্য সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্ধান পাওয়া মাত্র তাকে ধরতে আমরা ২৪ সেকেন্ডও সময় নেব না।”
এদিকে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কুমার হালদার। তিনি জানান, সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথা থাকলেও বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথা বলেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলামও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পরামর্শ দিয়ে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিকুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পেরিয়ে গেলেও পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে না পারায় সোমবার (২০ এপ্রিল) দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। এদিন বিক্ষোভকারীদের চাপে থানার প্রধান ফটক ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটে।
সকাল থেকেই হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও খাদিজা মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে থানা চত্বরে পৌঁছালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা একযোগে থানায় প্রবেশের চেষ্টা করলে হুড়োহুড়িতে প্রধান ফটকটি ভেঙে নিচে পড়ে যায়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত রবিবার বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ধর্ষক আশিককে গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা অবিলম্বে ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
থানার গেট ভেঙে পড়ার বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, শিক্ষার্থীরা পরিকল্পিতভাবে গেট ভাঙেনি; বরং একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে ভেতরে ঢুকতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, “আসামি গ্রেপ্তারের জন্য সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সন্ধান পাওয়া মাত্র তাকে ধরতে আমরা ২৪ সেকেন্ডও সময় নেব না।”
এদিকে, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কুমার হালদার। তিনি জানান, সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের কথা থাকলেও বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথা বলেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলামও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পরামর্শ দিয়ে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
লোড হচ্ছে...