নারায়ণগঞ্জসদর
না.গঞ্জে মহাসড়কের ফুটওভার ব্রিজে আগুন, নাশকতার অভিযোগে যুবক আটক
NewsView

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে রাতের আঁধারে একটি ফুটওভার ব্রিজে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই নাশকতার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রিয়াজ হোসেন (৩১) নামে এক যুবককে স্থানীয় জনতা হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের 'লকডাউন' কর্মসূচীর আবহে এই ঘটনা ঘটায় পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় মাদানীনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজে এই নাশকতার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে দুষ্কৃতিকারীরা ব্রিজের উপর টানানো জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বেশ কয়েকটি ব্যানারে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের নজরে আসে। লোকজন এগিয়ে গেলে অন্য দুষ্কৃতিকারীরা পালিয়ে গেলেও রিয়াজ হোসেন নামে একজনকে তাঁরা ধরে ফেলে। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত যুবক রিয়াজকে আটক করে। আটক রিয়াজ হোসেন সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম জানান, আটক রিয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে আগুন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ইন্সপেক্টর বলেন, "প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজ জানিয়েছে, অপরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া এক হাজার টাকার বিনিময়ে সে ফুটওভার ব্রিজের উপর টানানো ব্যানারগুলোতে আগুন ধরিয়েছে। সে আরও বলেছে, তার সঙ্গে থাকা আরেকজন ব্যক্তি ব্যানারে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয় এবং সে আগুন দেয়। তবে তার সঙ্গে থাকা ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় সে জানে না বলে আমাদের জানিয়েছে।"
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, "এর আগেও কাঁচপুর ব্রিজের নিচে টানানো আমার আরেকটি বিলবোর্ড খুলে ফেলা হয়েছিল। এই নাশকতার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।"
পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেয়ার ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আটক রিয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় মাদানীনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজে এই নাশকতার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে দুষ্কৃতিকারীরা ব্রিজের উপর টানানো জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বেশ কয়েকটি ব্যানারে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের নজরে আসে। লোকজন এগিয়ে গেলে অন্য দুষ্কৃতিকারীরা পালিয়ে গেলেও রিয়াজ হোসেন নামে একজনকে তাঁরা ধরে ফেলে। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত যুবক রিয়াজকে আটক করে। আটক রিয়াজ হোসেন সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম জানান, আটক রিয়াজ জিজ্ঞাসাবাদে আগুন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ইন্সপেক্টর বলেন, "প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজ জানিয়েছে, অপরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া এক হাজার টাকার বিনিময়ে সে ফুটওভার ব্রিজের উপর টানানো ব্যানারগুলোতে আগুন ধরিয়েছে। সে আরও বলেছে, তার সঙ্গে থাকা আরেকজন ব্যক্তি ব্যানারে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয় এবং সে আগুন দেয়। তবে তার সঙ্গে থাকা ওই ব্যক্তির নাম পরিচয় সে জানে না বলে আমাদের জানিয়েছে।"
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, "এর আগেও কাঁচপুর ব্রিজের নিচে টানানো আমার আরেকটি বিলবোর্ড খুলে ফেলা হয়েছিল। এই নাশকতার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।"
পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেয়ার ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আটক রিয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...