নারায়ণগঞ্জ
সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে চলবে ৯ ঘণ্টা
গণ-প্রত্যাশার ভোট বৃহস্পতিবার
NewsView

নিউজভিউ
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণ-প্রত্যাশার এই ভোট সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। একদিনে দুটি ভোট হওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে মোট ৯ ঘণ্টা নির্ধারণ করেছে। একই সাথে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবেন তরুণ ভোটাররা। ৩৫ বছরের নিচে ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৫৬১ জন, যা মোট ভোটারের একটি বিশাল অংশ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ ভোটার রয়েছেন ২ কোটি ১২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩১ জন। সব মিলিয়ে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
দেশের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে (শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট স্থগিত)। ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৫০৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। প্রায় ৭ লাখ ৮৫ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা এই মহাযজ্ঞ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন কেন্দ্র ও আশপাশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য, ৫ হাজার নৌবাহিনী ও সাড়ে ৩ হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিএনসিসি মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত রয়েছেন ৬৫৭ জন বিচারিক হাকিম ও ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী হাকিম।
এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। ৫৭ জন আমন্ত্রিত বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ প্রায় ৫৫০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। এছাড়াও দেশি ৮০টি সংস্থার প্রায় ৪৫ হাজার পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।
সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে। এখন কেবল ভোটারদের কেন্দ্রে গিয়ে রায় দেওয়ার অপেক্ষা।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণ-প্রত্যাশার এই ভোট সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। একদিনে দুটি ভোট হওয়ার কারণে নির্বাচন কমিশন এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে মোট ৯ ঘণ্টা নির্ধারণ করেছে। একই সাথে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবেন তরুণ ভোটাররা। ৩৫ বছরের নিচে ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৫৬১ জন, যা মোট ভোটারের একটি বিশাল অংশ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ ভোটার রয়েছেন ২ কোটি ১২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩১ জন। সব মিলিয়ে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
দেশের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে (শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট স্থগিত)। ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। এর মধ্যে ২১ হাজার ৫০৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। প্রায় ৭ লাখ ৮৫ হাজার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা এই মহাযজ্ঞ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন কেন্দ্র ও আশপাশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সেনাসদস্য, ৫ হাজার নৌবাহিনী ও সাড়ে ৩ হাজার বিমানবাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিএনসিসি মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ সদস্য মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত রয়েছেন ৬৫৭ জন বিচারিক হাকিম ও ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী হাকিম।
এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। ৫৭ জন আমন্ত্রিত বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ প্রায় ৫৫০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন। এছাড়াও দেশি ৮০টি সংস্থার প্রায় ৪৫ হাজার পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।
সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে। এখন কেবল ভোটারদের কেন্দ্রে গিয়ে রায় দেওয়ার অপেক্ষা।
লোড হচ্ছে...