সাহিত্য-সংস্কৃতিসদর
রফিউর রাব্বির বই সম্পর্কে মফিদুল হক
নারায়ণগঞ্জের সম্প্রীতি-বৈচিত্র্যের সার্থক ইতিহাস
NewsView

নিউজভিউ
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেছেন, এই অঞ্চলের সম্প্রীতি-বৈচিত্র্যের সার্থক দলিল রফিউর রাব্বির বই— ‘নারায়ণগঞ্জের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য’।
ধাবমান ভুবন তৎপরতা আয়োজিত বইটির পাঠমূল্যায়ন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে এই আয়োজন করে ধাবমান।
বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও প্রকাশক মফিদুল হক আরও বলেন, বইটি নারায়ণগঞ্জের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। প্রতিটি অঞ্চলের একটি নিজস্বতা থাকে এবং এই বই সেই নিজস্বতাকে সার্থকভাবে তুলে ধরেছে।
তিনি বলেন, বন্দরনগরী হিসেবে অনেক সময় নেতিবাচক কারণে নারায়ণগঞ্জ আলোচনায় এলেও এর বাইরে যে শহরটির একটি বহুমাত্রিক পরিচয় ও গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে, তা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে। তিনি একে ইতিহাস অনুসন্ধানের একটি শক্তিশালী সূচনা গ্রন্থ হিসেবে অভিহিত করেন।
মূল্যায়ন বক্তা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নাট্যকার শাহজাহান শামীম বলেন, যারা নারায়ণগঞ্জকে নিয়ে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, তাদের জন্য এই বই পাঠ করা জরুরি। এটি জেলার একটি তাত্ত্বিক রূপ তুলে ধরে, যা ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জের ব্র্যান্ডিংয়ে ভূমিকা রাখবে।
শিল্পী ও সংগঠক অমল আকাশ বলেন, এমন কিছু বিষয় আছে, যা আমার মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস বুঝতে এটি সহায়ক হবে।
কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু বইটির গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনেক ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম বইটিতে সরাসরি না এলেও এটি নারায়ণগঞ্জকে বোঝার শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। পরবর্তী সংস্করণে আরও তথ্য যুক্ত হলে এটি আরও সমৃদ্ধ হবে।
বইটির লেখক রফিউর রাব্বি তার বক্তব্যে বলেন, নারায়ণগঞ্জ নিয়ে পূর্বে প্রকাশিত একটি বইয়ে নানা তথ্যগত ভুল থাকায় তা নিরসনের লক্ষ্যেই তিনি এই বইটি লিখেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এটি কোনো মনগড়া লেখা নয়; বরং প্রতিটি তথ্যের প্রামাণ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। বইটিকে এনসাইক্লোপিডিয়া না বললেও এটি নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের রেফারেন্স বা দলিল হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কবি কাজল কানন। সূচনা বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও লেখক রহমান সিদ্দিক।
ধীমান সাহা জুয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও অনেকে বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ ও সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, জেলা সিপিবির সদস্য হাফিজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার ঘোষ, মহিলা পরিষদের সভাপতি রীনা আহমেদসহ স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেছেন, এই অঞ্চলের সম্প্রীতি-বৈচিত্র্যের সার্থক দলিল রফিউর রাব্বির বই— ‘নারায়ণগঞ্জের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য’।
ধাবমান ভুবন তৎপরতা আয়োজিত বইটির পাঠমূল্যায়ন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে এই আয়োজন করে ধাবমান।
বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও প্রকাশক মফিদুল হক আরও বলেন, বইটি নারায়ণগঞ্জের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। প্রতিটি অঞ্চলের একটি নিজস্বতা থাকে এবং এই বই সেই নিজস্বতাকে সার্থকভাবে তুলে ধরেছে।
তিনি বলেন, বন্দরনগরী হিসেবে অনেক সময় নেতিবাচক কারণে নারায়ণগঞ্জ আলোচনায় এলেও এর বাইরে যে শহরটির একটি বহুমাত্রিক পরিচয় ও গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে, তা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে। তিনি একে ইতিহাস অনুসন্ধানের একটি শক্তিশালী সূচনা গ্রন্থ হিসেবে অভিহিত করেন।
মূল্যায়ন বক্তা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও নাট্যকার শাহজাহান শামীম বলেন, যারা নারায়ণগঞ্জকে নিয়ে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, তাদের জন্য এই বই পাঠ করা জরুরি। এটি জেলার একটি তাত্ত্বিক রূপ তুলে ধরে, যা ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জের ব্র্যান্ডিংয়ে ভূমিকা রাখবে।
শিল্পী ও সংগঠক অমল আকাশ বলেন, এমন কিছু বিষয় আছে, যা আমার মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস বুঝতে এটি সহায়ক হবে।
কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু বইটির গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনেক ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম বইটিতে সরাসরি না এলেও এটি নারায়ণগঞ্জকে বোঝার শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। পরবর্তী সংস্করণে আরও তথ্য যুক্ত হলে এটি আরও সমৃদ্ধ হবে।
বইটির লেখক রফিউর রাব্বি তার বক্তব্যে বলেন, নারায়ণগঞ্জ নিয়ে পূর্বে প্রকাশিত একটি বইয়ে নানা তথ্যগত ভুল থাকায় তা নিরসনের লক্ষ্যেই তিনি এই বইটি লিখেছেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এটি কোনো মনগড়া লেখা নয়; বরং প্রতিটি তথ্যের প্রামাণ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। বইটিকে এনসাইক্লোপিডিয়া না বললেও এটি নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের রেফারেন্স বা দলিল হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কবি কাজল কানন। সূচনা বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও লেখক রহমান সিদ্দিক।
ধীমান সাহা জুয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও অনেকে বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ ও সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, জেলা সিপিবির সদস্য হাফিজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার ঘোষ, মহিলা পরিষদের সভাপতি রীনা আহমেদসহ স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকে।
লোড হচ্ছে...