সারা দেশ
আহত ২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চ লাইট জ্বালিয়ে মারামারি
NewsView

সরাইল উপজেলার চুন্টা গ্রামে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ মারামারি করেছে
নিউজভিউ ডেস্ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পৃথক স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাতে পূর্ব বিরোধ ও গাড়ির হর্ন বাজানো নিয়ে উপজেলা সদর ইউনিয়ন ও চুন্টা ইউনিয়নে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সরাইল সদর ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের মাইক্রোবাস চালক মোহাম্মদ জয় পাঠানপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় রাস্তা থেকে পথচারীদের সরাতে হর্ণ বাজান। এ নিয়ে পাঠানপাড়া গ্রামের ইদ্রিসখার জামাতার সঙ্গে মাইক্রোচালক জয়ের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে পাঠানপাড়া ও আলীনগর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পাঠানপাড়া গ্রামের পক্ষে জিলুকদার পাড়া এবং আলীনগর গ্রামের পক্ষ নিয়ে নিজ সরাইল গ্রামের লোকজনও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় টর্চলাইটের আলো জ্বালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ আর ধাওয়া পালটা ধাওয়া চলে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়।
এদিকে রাতে উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের চুন্টা গ্রামে মসজিদে নামাজ পড়নো নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সফরের গোষ্ঠী ও শ্রাবণের গোষ্ঠির মধ্যে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের মহড়া আর ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি সংঘর্ষই নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে পৃথক স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাতে পূর্ব বিরোধ ও গাড়ির হর্ন বাজানো নিয়ে উপজেলা সদর ইউনিয়ন ও চুন্টা ইউনিয়নে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সরাইল সদর ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের মাইক্রোবাস চালক মোহাম্মদ জয় পাঠানপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় রাস্তা থেকে পথচারীদের সরাতে হর্ণ বাজান। এ নিয়ে পাঠানপাড়া গ্রামের ইদ্রিসখার জামাতার সঙ্গে মাইক্রোচালক জয়ের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে পাঠানপাড়া ও আলীনগর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পাঠানপাড়া গ্রামের পক্ষে জিলুকদার পাড়া এবং আলীনগর গ্রামের পক্ষ নিয়ে নিজ সরাইল গ্রামের লোকজনও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় টর্চলাইটের আলো জ্বালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ আর ধাওয়া পালটা ধাওয়া চলে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়।
এদিকে রাতে উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের চুন্টা গ্রামে মসজিদে নামাজ পড়নো নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সফরের গোষ্ঠী ও শ্রাবণের গোষ্ঠির মধ্যে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের মহড়া আর ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি সংঘর্ষই নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি।
লোড হচ্ছে...