জাতীয়
বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মোবাইলে ছবি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুরের গরুহাট্টা এলাকায় এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, শুক্রবার রাতে গরুহাট্টা এলাকার রমজান মিয়ার ছোট বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বর-কনে ও মেহমানদের ছবি তোলা নিয়ে একই এলাকার হাসান মিয়া ও শান্ত মিয়ার মধ্যে হঠাৎ কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই তুচ্ছ বিতর্ক বড় আকার ধারণ করে এবং দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিয়ের আনন্দ ছাপিয়ে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সিরাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে আহত অবস্থায় মোট ১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে লাকী আক্তার, আরমান, রিনা আক্তার, নাদিম মিয়া, আপন মিয়া, সাজিয়া আক্তার, সুমন মিয়া ও মিনা আক্তারসহ আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, বিষয়টি পুলিশ অবগত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সামান্য একটি বিষয় থেকে বিয়েবাড়ির মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে এমন হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মোবাইলে ছবি তোলা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুরের গরুহাট্টা এলাকায় এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, শুক্রবার রাতে গরুহাট্টা এলাকার রমজান মিয়ার ছোট বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বর-কনে ও মেহমানদের ছবি তোলা নিয়ে একই এলাকার হাসান মিয়া ও শান্ত মিয়ার মধ্যে হঠাৎ কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই তুচ্ছ বিতর্ক বড় আকার ধারণ করে এবং দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিয়ের আনন্দ ছাপিয়ে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সিরাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে আহত অবস্থায় মোট ১০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে লাকী আক্তার, আরমান, রিনা আক্তার, নাদিম মিয়া, আপন মিয়া, সাজিয়া আক্তার, সুমন মিয়া ও মিনা আক্তারসহ আটজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, বিষয়টি পুলিশ অবগত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা হাফিজুর রহমান এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সামান্য একটি বিষয় থেকে বিয়েবাড়ির মতো সামাজিক অনুষ্ঠানে এমন হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
লোড হচ্ছে...