নারায়ণগঞ্জসদর
‘জেল খাটতে কেমন লাগে’ বোঝার জন্য শিশুকে হত্যা
NHP NewsView

নিউজভিউ
সমাজের নৈতিক অবক্ষয় আর কিশোর অপরাধের এক বীভৎস রূপ দেখল নারায়ণগঞ্জবাসী। ফতুল্লায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর উদ্ধার হওয়া শিশু হোসাইনের অর্ধগলিত লাশের রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ছয় কিশোরের জবানবন্দি অনুযায়ী, নিছক কৌতূহল মেটাতে তারা এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ এপ্রিল তক্কার মাঠ এলাকার ফুল বিক্রেতা সুমনের সন্তান হোসাইন নিখোঁজ হয়। পরে ২৩ এপ্রিল ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনির একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ময়লার স্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ প্রথমে ইয়াসিন নামে এক কিশোরকে গ্রেফতার করে এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিল যে, খুন করলে জেলে যেতে হয়, আর সেই জেল জীবন কেমন, তা পরখ করার জন্যই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পথচারী শিশু হোসাইনকে টার্গেট করে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাহাত, হোসাইন ও ওমর নামের আরও তিন সহযোগী আগে থেকেই ওত পেতে ছিল। সবাই মিলে শিশুটিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত ছয় কিশোরই মাদকাসক্ত এবং তাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, এই চক্রের আরও একজন সদস্য পলাতক রয়েছে, যাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। একটি সামান্য কৌতূহল মেটাতে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড পুরো জেলায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
সমাজের নৈতিক অবক্ষয় আর কিশোর অপরাধের এক বীভৎস রূপ দেখল নারায়ণগঞ্জবাসী। ফতুল্লায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর উদ্ধার হওয়া শিশু হোসাইনের অর্ধগলিত লাশের রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ছয় কিশোরের জবানবন্দি অনুযায়ী, নিছক কৌতূহল মেটাতে তারা এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ এপ্রিল তক্কার মাঠ এলাকার ফুল বিক্রেতা সুমনের সন্তান হোসাইন নিখোঁজ হয়। পরে ২৩ এপ্রিল ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনির একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ময়লার স্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ প্রথমে ইয়াসিন নামে এক কিশোরকে গ্রেফতার করে এবং তার তথ্যের ভিত্তিতে বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, অভিযুক্ত সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিল যে, খুন করলে জেলে যেতে হয়, আর সেই জেল জীবন কেমন, তা পরখ করার জন্যই তারা হত্যার পরিকল্পনা করে। পথচারী শিশু হোসাইনকে টার্গেট করে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাহাত, হোসাইন ও ওমর নামের আরও তিন সহযোগী আগে থেকেই ওত পেতে ছিল। সবাই মিলে শিশুটিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত ছয় কিশোরই মাদকাসক্ত এবং তাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, এই চক্রের আরও একজন সদস্য পলাতক রয়েছে, যাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। একটি সামান্য কৌতূহল মেটাতে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড পুরো জেলায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
লোড হচ্ছে...