নারায়ণগঞ্জসদর
মনোনয়ন নিয়ে সবাই ব্যস্ত, অথচ রাজপথে আমি একাই: এড. টিপু
NewsView

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মো. আবু আল–ইউসুফ খান (টিপু) দলীয় নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, যেখানে সবাই সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনয়ন নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে রাজপথে তিনি একাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন। বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবিতে মানবতাবিরোধী গণহত্যার রায়কে কেন্দ্র করে তাঁর নেতৃত্বে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যা শহরের প্রধান সড়ক ও অলিগলি অতিক্রম করে।
মিছিলে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শেষে চাষাঢ়া গোল চত্বরে দাঁড়িয়ে এডভোকেট টিপু আওয়ামী লীগের সহিংসতা ও রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে কঠোর হুংকার দেন।
এডভোকেট টিপু বলেন, “নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ছাত্রদল থেকে শুরু করে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের সহিংসতা ও রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছি। আমরা শহরের প্রতিটি অলিগলি ঘুরে ঘুরে মিছিল করেছি, কিন্তু কোথাও ফ্যাসিবাদী দোসরদের দেখতে পাইনি। তারা পালিয়ে গেছে।”
এরপর দলের অভ্যন্তরে চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সবাই ব্যস্ত, কেউ সংসদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, কেউ নিজের স্বার্থের রাজনীতি করছে। কিন্তু রাজপথে আমি একাই। যেখানে সবার থাকার কথা, সেখানে একা আমি রাজপথে থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলছি।
তিনি ১৩ নভেম্বরের আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “খুনি শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ১৩ তারিখে আওয়ামী লীগের দোসররা যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমরা তা রাজপথেই প্রতিহত করব।” তিনি আরও দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “শহীদ জিয়ার সৈনিকরা বেঁচে থাকতে ১৩ তারিখে মানবতাবিরোধী স্বৈরাচারিনী হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে রাজপথে কোনো অরাজকতা হতে দেব না। আমরা রাজপথে জন্মেছি, রাজপথেই মরব।”
এডভোকেট টিপু অভিযোগ করেন, “ভারতে বসে শেখ হাসিনা ছাত্রলীগসহ অন্যান্য সংগঠনকে লেলিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। আমরা সেই চক্রান্ত রুখে দেব। বাংলার জনগণ কোনো বিদেশি নীলনকশা মেনে নেবে না।”
তিনি জনগণকে ভয় না পেয়ে নির্বিঘ্নে কাজ করার আহ্বান জানান এবং প্রশাসনকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সজাগ থাকার অনুরোধ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেন, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব ফারুক হোসেন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী।
মিছিলে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শেষে চাষাঢ়া গোল চত্বরে দাঁড়িয়ে এডভোকেট টিপু আওয়ামী লীগের সহিংসতা ও রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে কঠোর হুংকার দেন।
এডভোকেট টিপু বলেন, “নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ছাত্রদল থেকে শুরু করে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা আওয়ামী লীগের সহিংসতা ও রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছি। আমরা শহরের প্রতিটি অলিগলি ঘুরে ঘুরে মিছিল করেছি, কিন্তু কোথাও ফ্যাসিবাদী দোসরদের দেখতে পাইনি। তারা পালিয়ে গেছে।”
এরপর দলের অভ্যন্তরে চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সবাই ব্যস্ত, কেউ সংসদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, কেউ নিজের স্বার্থের রাজনীতি করছে। কিন্তু রাজপথে আমি একাই। যেখানে সবার থাকার কথা, সেখানে একা আমি রাজপথে থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলছি।
তিনি ১৩ নভেম্বরের আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “খুনি শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে ১৩ তারিখে আওয়ামী লীগের দোসররা যে প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমরা তা রাজপথেই প্রতিহত করব।” তিনি আরও দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “শহীদ জিয়ার সৈনিকরা বেঁচে থাকতে ১৩ তারিখে মানবতাবিরোধী স্বৈরাচারিনী হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে রাজপথে কোনো অরাজকতা হতে দেব না। আমরা রাজপথে জন্মেছি, রাজপথেই মরব।”
এডভোকেট টিপু অভিযোগ করেন, “ভারতে বসে শেখ হাসিনা ছাত্রলীগসহ অন্যান্য সংগঠনকে লেলিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে। আমরা সেই চক্রান্ত রুখে দেব। বাংলার জনগণ কোনো বিদেশি নীলনকশা মেনে নেবে না।”
তিনি জনগণকে ভয় না পেয়ে নির্বিঘ্নে কাজ করার আহ্বান জানান এবং প্রশাসনকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সজাগ থাকার অনুরোধ করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আক্তার হোসেন, মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব ফারুক হোসেন সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী।
লোড হচ্ছে...