সারা দেশ
আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
থানচিতে ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে চলছে পাঠদান
NewsView6

দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে পাঠদান চলছে
নিউজভিউ ডেস্ক
বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে পাঠদান চলছে।
বিদ্যালয়টির জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি অসংখ্য ছিদ্রে ভরা, বাঁশ-কাঠ ও টিনের তৈরি দেওয়ালগুলো নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া ভবনের মেঝের বিভিন্ন অংশও দুর্বল হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, নেটওয়ার্কবিচ্ছিন্ন তিন্দু ইউনিয়নের শিক্ষা অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এখানকার শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টিকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করে রাষ্ট্রীয়ভাবে উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ২০২০ সালে এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০২৩ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পাঠদানে অনুমোদন পায়। ২০২২ সালে বান্দরবান জেলা পরিষদের ইউএনডিপির নারী ক্ষমতায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলটি পুনঃসংস্কার করা হয়। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই টিনশেড ভবনটি আবারও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে তারা প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলে শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বেঞ্চ ভিজে যায়, বই-খাতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে তারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে।
অভিভাবক ও ইউপির সদস্য ক্রানিংঅং মারমা, উজিরাম ত্রিপুরা জানান, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়ে পাঠালেও প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শঙ্কা কাজ করে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু তিন্দুর শিক্ষার্থীদের জন্য সেই অধিকার আজ জীবনসংগ্রামে পরিণত হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে দিতে চান না তারা। তাই ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাঠদান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন বলেন, বিদ্যালয়ের ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। চলতি সপ্তাহে টানা বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে টিনশেডের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেওয়ালগুলোও নড়বড়ে হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ভাগ্যচন্দ্র ত্রিপুরা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগতসংকট সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যালয়ের জন্য তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক শিক্ষা সুপারভাইজার লালচাঁদ হোসেন বলেন, ‘তিন্দু গ্রুপিং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই তিন্দু মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেখানে নবম শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমাদনের বিষয়েও প্রধান শিক্ষক আমাকে অবহিত করেছেন।’
বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে পাঠদান চলছে।
বিদ্যালয়টির জরাজীর্ণ টিনের ছাউনি অসংখ্য ছিদ্রে ভরা, বাঁশ-কাঠ ও টিনের তৈরি দেওয়ালগুলো নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া ভবনের মেঝের বিভিন্ন অংশও দুর্বল হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, নেটওয়ার্কবিচ্ছিন্ন তিন্দু ইউনিয়নের শিক্ষা অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এখানকার শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রতিকূলতার মধ্যে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টিকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করে রাষ্ট্রীয়ভাবে উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ২০২০ সালে এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০২৩ সালে নিম্ন মাধ্যমিক পাঠদানে অনুমোদন পায়। ২০২২ সালে বান্দরবান জেলা পরিষদের ইউএনডিপির নারী ক্ষমতায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুলটি পুনঃসংস্কার করা হয়। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই টিনশেড ভবনটি আবারও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে তারা প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলে শ্রেণিকক্ষে বসে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বেঞ্চ ভিজে যায়, বই-খাতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তার পরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে তারা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে।
অভিভাবক ও ইউপির সদস্য ক্রানিংঅং মারমা, উজিরাম ত্রিপুরা জানান, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়ে পাঠালেও প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শঙ্কা কাজ করে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু তিন্দুর শিক্ষার্থীদের জন্য সেই অধিকার আজ জীবনসংগ্রামে পরিণত হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে দিতে চান না তারা। তাই ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও পাঠদান অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন বলেন, বিদ্যালয়ের ভবনটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। চলতি সপ্তাহে টানা বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে টিনশেডের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেওয়ালগুলোও নড়বড়ে হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নির্মাণাধীন একাডেমিক ভবনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান ভাগ্যচন্দ্র ত্রিপুরা বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন খাতে তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নিয়মিত সহযোগিতা করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগতসংকট সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যালয়ের জন্য তিন কক্ষবিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক শিক্ষা সুপারভাইজার লালচাঁদ হোসেন বলেন, ‘তিন্দু গ্রুপিং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই তিন্দু মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অবস্থিত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেডে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেখানে নবম শ্রেণিতে পাঠদানের অনুমাদনের বিষয়েও প্রধান শিক্ষক আমাকে অবহিত করেছেন।’
লোড হচ্ছে...