রাজনীতিসদর
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, শহর ও বন্দরের মানুষ আজ ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই ভীতি দূর করে একটি শান্তিময় ও নিরাপদ জনপদ গড়তে তিনি ‘মাথাল’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১৮নং ওয়ার্ডে দিনব্যাপী গণসংযোগ ও পথসভাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “শহর-বন্দরের সাধারণ মানুষ এখন নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছে না। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ—সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমি নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য একটি ভয়হীন পরিবেশ নিশ্চিত করব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।”
রাজনীতিকে ভয় দেখানোর হাতিয়ার না বানিয়ে মানুষের মর্যাদা রক্ষার মাধ্যম হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার করেন তারিকুল সুজন। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ‘কমিউনিটি সেফটি’ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ দমনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে শহর-বন্দরে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য।
শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না—ভোটের শক্তিতেই পরিবর্তন আনতে হবে। একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহর-বন্দর গড়তে আপনার মূল্যবান ভোটটি মাথাল মার্কায় দিন।”
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, শহর ও বন্দরের মানুষ আজ ভয় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই ভীতি দূর করে একটি শান্তিময় ও নিরাপদ জনপদ গড়তে তিনি ‘মাথাল’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) ১৮নং ওয়ার্ডে দিনব্যাপী গণসংযোগ ও পথসভাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “শহর-বন্দরের সাধারণ মানুষ এখন নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছে না। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ—সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমি নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য একটি ভয়হীন পরিবেশ নিশ্চিত করব। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।”
রাজনীতিকে ভয় দেখানোর হাতিয়ার না বানিয়ে মানুষের মর্যাদা রক্ষার মাধ্যম হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার করেন তারিকুল সুজন। তিনি জানান, নির্বাচিত হলে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ‘কমিউনিটি সেফটি’ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অপরাধ দমনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে শহর-বন্দরে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য।
শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ভয় পেয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না—ভোটের শক্তিতেই পরিবর্তন আনতে হবে। একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহর-বন্দর গড়তে আপনার মূল্যবান ভোটটি মাথাল মার্কায় দিন।”
গণসংযোগকালে তাঁর সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...