খেলা
মুশফিকের রেকর্ড সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের রেকর্ড লিড
NewsView

সেঞ্চুরির পর মুশফিকে উল্লাস (ছবি : সংগৃহীত)
নিউজভিউ ডেস্ক
সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফুরিয়ে যাননি তাই যেন সোমবার সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন মুশফিকুর রহিম। এরফলে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন এ ডানহাতি। তার এমন অর্জনের দিনে বড় সংগ্রহ গড়েছে টিম টাইগার্স। শুধু তাই নয় বড় লিডও পেয়েছে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট জিততে পাকিস্তানকে গড়তে হবে বিশ্ব রেকর্ড।
সিলেট টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে স্বাগতিকরা লিড পেয়েছে ৪৩৬ রানের। এই টেস্ট জিততে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের লক্ষ্য ৪৩৭ রান, যা করতে পারলে বিশ্ব রেকর্ডই হয়ে যাবে। প্রায় দেড় শ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ৪১৮ রানের বেশি কোনো দল তাড়া করতে জিততে পারেনি। পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৭ রান তাড়া করার কীর্তি আছে (২০১৫ সালে পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে)। আর বাংলাদেশের মাটিতে সর্বোচ্চ তাড়ার রেকর্ড ৩৯৫ (২০২১ সালে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের)।
সোমবার ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। শেষ বেলায় অল আউট হওয়ার আগে শেষ ৭ উইকেটে টাইগার ব্যাটাররা যোগ করেছে ২৮০ রান। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়া মুশফিকুর রহিম ১৪তম সেঞ্চুরির ইনিংসে করেছেন ১৩৭ রান। তার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ১২৩ রানের জুটি গড়া লিটন খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শেহজাদ ৪টি ও সাজিদ খান ৩টি উইকেট নিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শেহজাদ ৪টি ও সাজিদ খান ৩টি উইকেট নিয়েছেন।
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামার পর খেলা হয় মাত্র দুই ওভার। আলোক স্বল্পতায় আগেভাগেই দিনের খেলা শেষ করেন আম্পায়াররা। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
যে দুই ওভারের খেলা হয়েছে, তাতে কোনো রান করতে পারেনি পাকিস্তান। তাসকিন ও শরীফুলকে মেডেন দেন সফরকারী দুই ওপেনার আওয়াইস ও ফজল।
১৩ রানে অপরাজিত থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে সোমবার ক্রিজে নামেন মুশফিকুর রহিম। তবে শান্ত বেশিক্ষণ টেকেননি। ১৫ রান করে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। রিভিউ নিয়েও টিকতে পারেননি অধিনায়ক। এরপর দলের হাল ধরেন লিটন দাস আর মুশফিক। দুজনে মিলে ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রানের।
লাঞ্চের পর চতুর্থ বলেই লিটন তুলে নেন ২০তম হাফ সেঞ্চুরি। ৫৪ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলে সর্বোচ্চ রান করলেন ডানহাতি ব্যাটার। এতদিন এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করেছিলেন লিটন, ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুরে। ওইবার
প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রান করেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান। লিটন এই টেস্টে ১৯৪ রান করার পর মুশফিকুর রহিম ১০৩ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩০তম ফিফটি করেন।
দুর্দান্ত ব্যাটিং করা লিটন থামেন শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে। এরপর মেহেদি মিরাজ উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৯ বল খেলে ১৯ রান করেন তিনি। সতীর্থরা ফিরলেও মুশফিক এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করে যান। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পর মোহাম্মদ আব্বাসের বলে চার মেরে সেঞ্চুরি আদায় করে নেন মুশফিক। এরপর উদ্যাপনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পুরোপুরি তিনি। ক্রিজের মাঝখানে গিয়ে ফেলে দেন ব্যাটও। মুশফিক দুই হাত উঁচু করেন, জড়িয়ে ধরেন নন–স্ট্রাইক প্রান্তে তাঁর সতীর্থ তাইজুল ইসলামকে—তখন ড্রেসিংরুম থেকে দাঁড়িয়ে করতালি দেন বাকিরা। মুমিনুল হককে (১৩) টপকে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি রেকর্ড (১৪) এখন মুশফিকের। তিন সংস্করণ মিলিয়ে তাঁর চেয়ে দুটি সেঞ্চুরি বেশি আছে তামিম ইকবালের। এসব রেকর্ড ভাঙা–গড়ার খেলা ছাপিয়ে মুশফিক অবশ্য এখন আরও ওপরে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে মেরুদণ্ডই তো তিনি। আজ তা আরও একবার প্রমাণ করলেন সিলেটে!
পরে তাইজুলের সঙ্গে মুশফিকের অবিচ্ছিন্ন জুটিও পঞ্চাশ পেরিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন তাইজুল। তার আগে নিজের কাজটা অবশ্য করেই গেছেন। সাজিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৫১ বলে ২২ রান। তার আউটে ভাঙে মুশফিক সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি। এরপর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তাসকিন। সে চেষ্টায় আউট হন তিনি। হাসান আলীর বলে ক্যাচ দিলেন স্লিপে। ৬ রান করেন তাসকিন।
তাসকিনের বিদায় পর শরিফুল চেষ্টা করেন দ্রুত রান তুলতে। তবে তিনিও ব্যর্থ হন ফেরেন দ্রুত। শেষ দিকে মুশফিক কিছুক্ষণ নাহিদ রানাকে নিয়ে লড়াইটা করেন। তিনিও চাইছিলেন দ্রুত রান তুলে ফিরতে। শেষ পর্যন্ত এ চেষ্টাতে আর সফল হতে পারেননি। শেষ ব্যাটসমান হিসেবে আউট হন তিনি। তার ১৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের কল্যাণেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে ৩৯০ রানের সংগ্রহ। লিড পেয়ে যায় ৪৩৬ রানের।
সিলেট টেস্টের বাকি এখনও দুই দিন। তবে পিচের যে অবস্থা তাতে ক্রিকেট প্রেমিদের অনুমান মঙ্গলবারই এ টেস্ট শেষ হয়ে যাবে। নিশ্চিয়ই জয়ী দলের নামটা হবে বাংলাদেশ। যদি তাই হয় তাহলে ঘরের মাঠে ২-০ তে টেস্ট জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেবে টিম টাইগার্স। আপাতত সেটা দেখার অপেক্ষায় টাইগার ভক্তরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ : ২৭৮ ও ৩৯০
পাকিস্তান : ২৩২ ও ২/০
সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফুরিয়ে যাননি তাই যেন সোমবার সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন মুশফিকুর রহিম। এরফলে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন এ ডানহাতি। তার এমন অর্জনের দিনে বড় সংগ্রহ গড়েছে টিম টাইগার্স। শুধু তাই নয় বড় লিডও পেয়েছে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট জিততে পাকিস্তানকে গড়তে হবে বিশ্ব রেকর্ড।
সিলেট টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৯০ রান করে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে স্বাগতিকরা লিড পেয়েছে ৪৩৬ রানের। এই টেস্ট জিততে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের লক্ষ্য ৪৩৭ রান, যা করতে পারলে বিশ্ব রেকর্ডই হয়ে যাবে। প্রায় দেড় শ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ৪১৮ রানের বেশি কোনো দল তাড়া করতে জিততে পারেনি। পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৭৭ রান তাড়া করার কীর্তি আছে (২০১৫ সালে পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে)। আর বাংলাদেশের মাটিতে সর্বোচ্চ তাড়ার রেকর্ড ৩৯৫ (২০২১ সালে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের)।
সোমবার ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। শেষ বেলায় অল আউট হওয়ার আগে শেষ ৭ উইকেটে টাইগার ব্যাটাররা যোগ করেছে ২৮০ রান। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়া মুশফিকুর রহিম ১৪তম সেঞ্চুরির ইনিংসে করেছেন ১৩৭ রান। তার সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ১২৩ রানের জুটি গড়া লিটন খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শেহজাদ ৪টি ও সাজিদ খান ৩টি উইকেট নিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শেহজাদ ৪টি ও সাজিদ খান ৩টি উইকেট নিয়েছেন।
পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামার পর খেলা হয় মাত্র দুই ওভার। আলোক স্বল্পতায় আগেভাগেই দিনের খেলা শেষ করেন আম্পায়াররা। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
যে দুই ওভারের খেলা হয়েছে, তাতে কোনো রান করতে পারেনি পাকিস্তান। তাসকিন ও শরীফুলকে মেডেন দেন সফরকারী দুই ওপেনার আওয়াইস ও ফজল।
১৩ রানে অপরাজিত থাকা নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে সোমবার ক্রিজে নামেন মুশফিকুর রহিম। তবে শান্ত বেশিক্ষণ টেকেননি। ১৫ রান করে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। রিভিউ নিয়েও টিকতে পারেননি অধিনায়ক। এরপর দলের হাল ধরেন লিটন দাস আর মুশফিক। দুজনে মিলে ৮৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রানের।
লাঞ্চের পর চতুর্থ বলেই লিটন তুলে নেন ২০তম হাফ সেঞ্চুরি। ৫৪ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলে সর্বোচ্চ রান করলেন ডানহাতি ব্যাটার। এতদিন এক ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৯৩ রান করেছিলেন লিটন, ২০২২ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুরে। ওইবার
প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রান করেন, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান। লিটন এই টেস্টে ১৯৪ রান করার পর মুশফিকুর রহিম ১০৩ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৩০তম ফিফটি করেন।
দুর্দান্ত ব্যাটিং করা লিটন থামেন শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে। এরপর মেহেদি মিরাজ উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৯ বল খেলে ১৯ রান করেন তিনি। সতীর্থরা ফিরলেও মুশফিক এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করে যান। শেষ পর্যন্ত চা বিরতির পর মোহাম্মদ আব্বাসের বলে চার মেরে সেঞ্চুরি আদায় করে নেন মুশফিক। এরপর উদ্যাপনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পুরোপুরি তিনি। ক্রিজের মাঝখানে গিয়ে ফেলে দেন ব্যাটও। মুশফিক দুই হাত উঁচু করেন, জড়িয়ে ধরেন নন–স্ট্রাইক প্রান্তে তাঁর সতীর্থ তাইজুল ইসলামকে—তখন ড্রেসিংরুম থেকে দাঁড়িয়ে করতালি দেন বাকিরা। মুমিনুল হককে (১৩) টপকে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি রেকর্ড (১৪) এখন মুশফিকের। তিন সংস্করণ মিলিয়ে তাঁর চেয়ে দুটি সেঞ্চুরি বেশি আছে তামিম ইকবালের। এসব রেকর্ড ভাঙা–গড়ার খেলা ছাপিয়ে মুশফিক অবশ্য এখন আরও ওপরে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে মেরুদণ্ডই তো তিনি। আজ তা আরও একবার প্রমাণ করলেন সিলেটে!
পরে তাইজুলের সঙ্গে মুশফিকের অবিচ্ছিন্ন জুটিও পঞ্চাশ পেরিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন তাইজুল। তার আগে নিজের কাজটা অবশ্য করেই গেছেন। সাজিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৫১ বলে ২২ রান। তার আউটে ভাঙে মুশফিক সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি। এরপর দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন তাসকিন। সে চেষ্টায় আউট হন তিনি। হাসান আলীর বলে ক্যাচ দিলেন স্লিপে। ৬ রান করেন তাসকিন।
তাসকিনের বিদায় পর শরিফুল চেষ্টা করেন দ্রুত রান তুলতে। তবে তিনিও ব্যর্থ হন ফেরেন দ্রুত। শেষ দিকে মুশফিক কিছুক্ষণ নাহিদ রানাকে নিয়ে লড়াইটা করেন। তিনিও চাইছিলেন দ্রুত রান তুলে ফিরতে। শেষ পর্যন্ত এ চেষ্টাতে আর সফল হতে পারেননি। শেষ ব্যাটসমান হিসেবে আউট হন তিনি। তার ১৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের কল্যাণেই বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে ৩৯০ রানের সংগ্রহ। লিড পেয়ে যায় ৪৩৬ রানের।
সিলেট টেস্টের বাকি এখনও দুই দিন। তবে পিচের যে অবস্থা তাতে ক্রিকেট প্রেমিদের অনুমান মঙ্গলবারই এ টেস্ট শেষ হয়ে যাবে। নিশ্চিয়ই জয়ী দলের নামটা হবে বাংলাদেশ। যদি তাই হয় তাহলে ঘরের মাঠে ২-০ তে টেস্ট জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দেবে টিম টাইগার্স। আপাতত সেটা দেখার অপেক্ষায় টাইগার ভক্তরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ : ২৭৮ ও ৩৯০
পাকিস্তান : ২৩২ ও ২/০
লোড হচ্ছে...