নারায়ণগঞ্জ
বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও থামেনি শ্রুতি’র যতীন সরকার স্মরণ অনুষ্ঠান
NewsView5

নিউজভিউ
প্রাবন্ধিক ও চিন্তক যতীন সরকার স্মরণে নারায়ণগঞ্জে প্রামাণ্যচিত্র ও আলোচনার আয়োজন করেছে শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও থেমে থাকেনি।
গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করেন উদীচীর শিল্পী আবুল হোসেন অলি।.jpg)
এরপর প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয় যতীন সরকারকে নিয়ে শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্মিত সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘বানপ্রস্থ যতীন সরকার’। উপস্থিত দর্শকরা মনোযোগ দিয়ে প্রামাণ্যচিত্রটি দেখেন।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর শুরু হয় আলোচনা পর্ব। এতে বক্তব্য দেন শিল্পী রফিউর রাব্বি ও কবি কাজল কানন। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল।
আলোচনা চলাকালে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। তবে এতে থেমে যায়নি অনুষ্ঠান। মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা নিজেদের মুঠোফোনের টর্চ জ্বালিয়ে আলো তৈরি করেন। সেই আলোতেই অব্যাহত থাকে আলোচনা ও স্মরণ অনুষ্ঠান।
কবি কাজল কানন যতীন সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন আলাপের স্মৃতিকথাও বলছিলেন আলোচনায়। কবির নিজ জন্মস্থান কুমিল্লা হলেও যতীন সরকারের বাড়ি ময়মনসিংহে জন্মস্থানের চেয়েও বেশিবার যাওয়া হয়েছে তার। যতবাই গেছেন ততবারই যতীন সরকারের সঙ্গে আলাপ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলছি যতীন সরকার প্রবন্ধের মানুষ কিন্তু অন্তর্গতভাবে উনি একজন দার্শনিক।
আলোচনায় রফিউর রাব্বি বলেন, এই ভূখণ্ডে বাঙালী মধ্যবিত্ত কৃষিজীবী এবং প্রাকৃতজনদের সামাজিক যে দ্বন্দ্ব, এই দ্বন্দ্বগুলোকে তিনি বোঝার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মনোজগৎ বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছেন।
রফিউর রাব্বি আরও বলেন, আমাদের দেশে অনেক বুদ্ধিজীবী, সমাজসংস্কার দেখেছি। আমাকে যদি বলতে বলা হয় তাহলে দুজন মানুষের নাম উচ্চারণ করতে পারি, এক সরদার ফজরুল করিম আরেক যতীন সরকার। যদি বলেন তারপর, আমি তার আর কোন পর দেখি না। আমি কউকে অবজ্ঞা করছি না তবে আসলেই কেউ নেই।
বিদ্যুৎ না থাকলেও দর্শক-শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শেষ হয় আয়োজন। মোবাইল ফোনের আলোয় অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য স্মরণ অনুষ্ঠানে ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মধ্যেও থেমে থাকেনি।
গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করেন উদীচীর শিল্পী আবুল হোসেন অলি।
.jpg)
এরপর প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয় যতীন সরকারকে নিয়ে শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্মিত সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘বানপ্রস্থ যতীন সরকার’। উপস্থিত দর্শকরা মনোযোগ দিয়ে প্রামাণ্যচিত্রটি দেখেন।

প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর শুরু হয় আলোচনা পর্ব। এতে বক্তব্য দেন শিল্পী রফিউর রাব্বি ও কবি কাজল কানন। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল।
আলোচনা চলাকালে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটে। তবে এতে থেমে যায়নি অনুষ্ঠান। মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা নিজেদের মুঠোফোনের টর্চ জ্বালিয়ে আলো তৈরি করেন। সেই আলোতেই অব্যাহত থাকে আলোচনা ও স্মরণ অনুষ্ঠান।
কবি কাজল কানন যতীন সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন আলাপের স্মৃতিকথাও বলছিলেন আলোচনায়। কবির নিজ জন্মস্থান কুমিল্লা হলেও যতীন সরকারের বাড়ি ময়মনসিংহে জন্মস্থানের চেয়েও বেশিবার যাওয়া হয়েছে তার। যতবাই গেছেন ততবারই যতীন সরকারের সঙ্গে আলাপ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলছি যতীন সরকার প্রবন্ধের মানুষ কিন্তু অন্তর্গতভাবে উনি একজন দার্শনিক।

আলোচনায় রফিউর রাব্বি বলেন, এই ভূখণ্ডে বাঙালী মধ্যবিত্ত কৃষিজীবী এবং প্রাকৃতজনদের সামাজিক যে দ্বন্দ্ব, এই দ্বন্দ্বগুলোকে তিনি বোঝার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের মনোজগৎ বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছেন।
রফিউর রাব্বি আরও বলেন, আমাদের দেশে অনেক বুদ্ধিজীবী, সমাজসংস্কার দেখেছি। আমাকে যদি বলতে বলা হয় তাহলে দুজন মানুষের নাম উচ্চারণ করতে পারি, এক সরদার ফজরুল করিম আরেক যতীন সরকার। যদি বলেন তারপর, আমি তার আর কোন পর দেখি না। আমি কউকে অবজ্ঞা করছি না তবে আসলেই কেউ নেই।

বিদ্যুৎ না থাকলেও দর্শক-শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শেষ হয় আয়োজন। মোবাইল ফোনের আলোয় অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্য স্মরণ অনুষ্ঠানে ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে।
লোড হচ্ছে...