খেলা
এমবাপ্পেদের স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল। অন্যদিকে তৃতীয় শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে বিদায় নিতে হলো কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সকে।
আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল স্পেনকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে ডানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর পেড্রো পোরো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়।
টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্সকে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ধরা হলেও সেমিফাইনালে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেনি। এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসের আক্রমণভাগ স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ এবং শক্তিশালী মিডফিল্ডের সামনে কার্যত নিষ্প্রভ ছিল।
রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও ডানি ওলমোর নেতৃত্বে স্পেন শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ফরাসি মিডফিল্ডকে চাপে রাখে। এর ফলে ম্যাচের বড় সময়জুড়েই নিজেদের ছন্দে ফিরতে পারেনি দিদিয়ের দেশ্যমের দল।
১৬তম মিনিটে এমবাপ্পের সম্ভাবনাময় আক্রমণ শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত ব্লকে ঠেকিয়ে দেন পাও কুবারসি। তবে চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় স্পেন। মার্ক কুকুরেলার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন লুকা দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে স্পট-কিক থেকে ভুল করেননি ওয়ারজাবাল।
৩১তম মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা, যা তাদের রক্ষণকে আরও দুর্বল করে তোলে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপ্পে গোলের সুযোগ পেলেও উনাই সিমনের অসাধারণ সেভে সমতায় ফিরতে পারেনি ফ্রান্স।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে পেড্রো পোরোর নিখুঁত ফিনিশে ব্যবধান ২-০ হয়। তিন মিনিট পর লামিন ইয়ামাল বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শেষ দিকে একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন দেশ্যম। তবে স্পেনের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় ফরাসিরা। এমবাপ্পের কয়েকটি সুযোগও নষ্ট হয় উনাই সিমনের দৃঢ়তায়। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২০তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল স্পেনকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮তম মিনিটে ডানি ওলমোর সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর পেড্রো পোরো ব্যবধান দ্বিগুণ করলে স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়।
টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ফ্রান্সকে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ধরা হলেও সেমিফাইনালে তারা নিজেদের সেরা খেলাটা উপহার দিতে পারেনি। এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসের আক্রমণভাগ স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ এবং শক্তিশালী মিডফিল্ডের সামনে কার্যত নিষ্প্রভ ছিল।
রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও ডানি ওলমোর নেতৃত্বে স্পেন শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ফরাসি মিডফিল্ডকে চাপে রাখে। এর ফলে ম্যাচের বড় সময়জুড়েই নিজেদের ছন্দে ফিরতে পারেনি দিদিয়ের দেশ্যমের দল।
১৬তম মিনিটে এমবাপ্পের সম্ভাবনাময় আক্রমণ শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত ব্লকে ঠেকিয়ে দেন পাও কুবারসি। তবে চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় স্পেন। মার্ক কুকুরেলার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন লুকা দিনিয়ে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দিলে স্পট-কিক থেকে ভুল করেননি ওয়ারজাবাল।
৩১তম মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্রান্সের ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা, যা তাদের রক্ষণকে আরও দুর্বল করে তোলে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এমবাপ্পে গোলের সুযোগ পেলেও উনাই সিমনের অসাধারণ সেভে সমতায় ফিরতে পারেনি ফ্রান্স।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে পেড্রো পোরোর নিখুঁত ফিনিশে ব্যবধান ২-০ হয়। তিন মিনিট পর লামিন ইয়ামাল বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
শেষ দিকে একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন দেশ্যম। তবে স্পেনের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় ফরাসিরা। এমবাপ্পের কয়েকটি সুযোগও নষ্ট হয় উনাই সিমনের দৃঢ়তায়। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
লোড হচ্ছে...