নারায়ণগঞ্জসদর
অবৈধ গ্যাস সংযোগের দায়ে দুই বাড়ির মালিককে জরিমানা, অর্ধশতাধিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও বকেয়া বিলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি নিয়ম অমান্যকারী বাড়ির মালিকদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম হাসান তানিশার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে তিতাসের নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক বিপণন কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান আজাদসহ কারিগরি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে আজিবপুর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে মাটির নিচে থাকা অবৈধ পাইপলাইন ও অতিরিক্ত চুলা শনাক্ত করা হয়।
অভিযান চলাকালে অর্ধশতাধিক অবৈধ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত চুলা ব্যবহারের অপরাধে আমিনুল ইসলাম নামের এক বাড়ির মালিককে বাংলাদেশ গ্যাস আইনে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিতাস জানায়, তার বাড়িতে অনুমোদিত ৫টি চুলার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ৬টি অবৈধ চুলা ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইভাবে আনোয়ার নামের আরেক বাড়ির মালিককে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তার বাসায় বৈধ ৪টি চুলার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ৬টি চুলা পাওয়া যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাস সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের রাজস্ব সুরক্ষা এবং অগ্নিঝুঁকি এড়াতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। যেসব গ্রাহক বৈধ সংযোগ থাকার পরও অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করছেন বা বিল বকেয়া রেখেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযান শেষে অবশিষ্ট গ্রাহকদের নিয়ম মেনে এবং বৈধ উপায়ে গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রদান করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও বকেয়া বিলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি নিয়ম অমান্যকারী বাড়ির মালিকদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম হাসান তানিশার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে তিতাসের নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক বিপণন কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান আজাদসহ কারিগরি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে আজিবপুর এলাকার বিভিন্ন অলিগলিতে মাটির নিচে থাকা অবৈধ পাইপলাইন ও অতিরিক্ত চুলা শনাক্ত করা হয়।
অভিযান চলাকালে অর্ধশতাধিক অবৈধ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত চুলা ব্যবহারের অপরাধে আমিনুল ইসলাম নামের এক বাড়ির মালিককে বাংলাদেশ গ্যাস আইনে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিতাস জানায়, তার বাড়িতে অনুমোদিত ৫টি চুলার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ৬টি অবৈধ চুলা ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইভাবে আনোয়ার নামের আরেক বাড়ির মালিককে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তার বাসায় বৈধ ৪টি চুলার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ৬টি চুলা পাওয়া যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাস সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের রাজস্ব সুরক্ষা এবং অগ্নিঝুঁকি এড়াতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। যেসব গ্রাহক বৈধ সংযোগ থাকার পরও অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করছেন বা বিল বকেয়া রেখেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযান শেষে অবশিষ্ট গ্রাহকদের নিয়ম মেনে এবং বৈধ উপায়ে গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রদান করা হয়।
লোড হচ্ছে...